📌 টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় কলেজছাত্র মো. শামীমের লাশ পাঁচ দিন পর মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে। অভিযুক্ত অনিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যার কারণ হিসেবে শ্বাসরোধে হত্যার সন্দেহ করা হচ্ছে
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় কলেজছাত্র মো. শামীমের (২৩) লাশ পাঁচ দিন পর মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যার কারণ হিসেবে শ্বাসরোধে হত্যার সন্দেহ করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলেজছাত্র মো. শামীমের (২৩) লাশ পাঁচ দিন পর মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার
- 📌 অভিযুক্ত অনিককে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
- 📌 হত্যার কারণ হিসেবে শ্বাসরোধে হত্যার সন্দেহ
- 📌 নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ভাদ্রা গ্রাম থেকে লাশ উদ্ধার
📰 বিস্তারিত
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় কলেজছাত্র মো. শামীমের লাশ পাঁচ দিন পর মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে শামীম বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের দুই দিন পর রোববার (২৩ আগস্ট) তার বাবা বিল্লাল মল্লিক থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ভাদ্রা গ্রাম থেকে লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শামীম ওই গ্রামের বিল্লাল মল্লিকের ছেলে ও বেসরকারি পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওই গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে অনিককে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহতের বাবা বিল্লাল মল্লিক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, শামীমের মোবাইল থেকে অভিযুক্ত অনিক ফোন করে দেড় লাখ টাকা ৩০ মিনিটের মধ্যে পাঠাতে বলে ফোন বন্ধ করে দেয়।
"শামীমের মোবাইল থেকে অভিযুক্ত অনিক ফোন করে দেড় লাখ টাকা ৩০ মিনিটের মধ্যে পাঠাতে বলে ফোন বন্ধ করে দেয়। তিনি সন্তান হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।"
নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার অনিকের কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ব্যাপারে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভাদ্রা গ্রাম, নাগরপুর, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শামীম, অনিক, বিল্লাল মল্লিক, মো. জহুরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩, ২৮, ২১ আগস্ট, ২৩ আগস্ট, ২৫ আগস্ট, দেড় লাখ, ৩০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!