📌 কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ঋণগ্রস্ত হনুফা বেগম নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। দুই ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া ঋণের চাপে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা ধার করা হয়েছিল
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে হনুফা বেগম (৪৫) নামের এক মা নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া ঋণের চাপে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হনুফা বেগমের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে
- 📌 ছোট ছেলে সায়মন ও মেয়ের জামাইকে বিদেশ পাঠাতে এনজিও ও আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা ধার করেছিলেন
- 📌 বিদেশে সুবিধা করতে না পারায় বড় ছেলে ইমরানকে বিদেশ পাঠানোর জন্য দালালকে টাকা দিয়েছিলেন হনুফা
- 📌 দালাল ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে ব্যর্থ হওয়ায় ফেরত পাওয়া টাকাও পাননি তিনি
- 📌 এনজিওর কিস্তি ও পাওনাদারদের চাপে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন হনুফা
📰 বিস্তারিত
রোববার ভোরে হনুফা বেগম তাঁর স্বামীর সঙ্গে টাকা ধার করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় যান। কোথাও টাকা জোগাড় করতে না পেরে সকালে বাড়িতে ফিরে নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। ভৈরব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ঋণজনিত চাপের বিষয়টি জানা গেছে।
হনুফা বেগম ওই এলাকার রিকশা গ্যারেজের মেকানিক আক্রাম হোসেনের স্ত্রী। তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছোট ছেলে সায়মন ও মেয়ের জামাইকে বিদেশে পাঠাতে বিভিন্ন এনজিও ও আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে টাকা জোগাড় করেন তিনি। পরে ছোট ছেলে বিদেশে গিয়ে সুবিধা করতে না পারায় বড় ছেলে ইমরানকে বিদেশ পাঠানোর জন্য এক দালালকে টাকা দেন। তবে ওই দালাল ছেলেকে বিদেশে পাঠাতে পারেননি। দালালকে দেওয়া টাকাও ফেরত না পাওয়ায় আর্থিক সংকটে পড়েন হনুফা।
"গত কয়েক দিন ধরেই তিনি টাকা ধার করার চেষ্টা করছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে সহায়তা ও সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে রক্ষা করতে পারেননি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভৈরবপুর উত্তরপাড়া এলাকা, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হনুফা বেগম (৪৫), এসআই হাফিজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ বছর, ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!