📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জের সলপ জমিদারবাড়ি: অরক্ষিত ঐতিহ্যের ধ্বংসের দিকে অগ্রসর

সিরাজগঞ্জের সলপ জমিদারবাড়ি: অরক্ষিত ঐতিহ্যের ধ্বংসের দিকে অগ্রসর

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডেইলি বাংলাদেশ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপ ইউনিয়নের ঐতিহাসিক সলপ জমিদারবাড়ি অরক্ষিত অবস্থায় ধ্বংসের দিকে অগ্রসর। প্রায় ২৩০ বছরের পুরোনো এই বাড়িটি সান্যাল বংশের, কিন্তু বর্তমানে পাখি ও পোকামাকড়ের দখলে রয়েছে। স্থানীয়রা সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের দাবি জানাচ্ছেন

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপ ইউনিয়নের ঐতিহাসিক সলপ জমিদারবাড়ি কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু অরক্ষিত অবস্থায় ধ্বংসের দিকে অগ্রসর। দূর থেকে দেখতে মনোরম পরিবেশে সবুজে ঘেরা একটি বাগানবাড়ির মতো মনে হলেও, কাছে গিয়ে দেখা যায় ভগ্নপ্রায় অট্টালিকার অবস্থা। প্রতিটি ঘরের ভেতর ও ছাদে প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন থাকলেও, পুরোনো ইটের দেওয়ালে রকমারি আগাছা ও ঝোপঝাড়ের আধিপত্য। বাড়িটির পুরোটাই এখন পাখি ও পোকামাকড়ের দখলে রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজগঞ্জের সলপ জমিদারবাড়ি প্রায় ২৩০ বছরের পুরোনো, প্রতিষ্ঠিত ১২০৫ বঙ্গাব্দে কাশী দাস সান্যালের মাধ্যমে
  • 📌 ১৩০৪ বঙ্গাব্দের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি ১৩৩৩ বঙ্গাব্দে শ্রী সূর্য কমল ভট্টাচার্য পুনর্নির্মাণ করেন
  • 📌 মূল বাড়িতে ছিল ঐতিহ্যবাহী কালীবাড়ি ও শিবমন্দির, রানী ভবানী এই পরিবারকে অনুদান দিয়েছিলেন
  • 📌 জমিদারদের উদ্যোগে সলপ রেলওয়ে স্টেশন স্থাপিত হয় এবং সাদেক আলী খান ঘোল তৈরির কারখানা শুরু করেন
  • 📌 বর্তমানে বাড়িটিতে কোনো রক্ষণাবেক্ষণ নেই, স্থানীয়রা সংস্কারের দাবি জানাচ্ছেন

📰 বিস্তারিত

সলপের জমিদারবাড়ি সান্যাল বংশের, যা প্রায় ২৩০ বছরের পুরোনো ইতিহাস বহন করে। এই বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১২০৫ বঙ্গাব্দে কাশী দাস সান্যালের মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৩০৪ বঙ্গাব্দের ভূমিকম্পে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে, বংশের উত্তরাধিকারী শ্রী সূর্য কমল ভট্টাচার্য ১৩৩৩ বঙ্গাব্দে পুনর্নির্মাণ করেন। মূল বাড়িতে ছিল ঐতিহ্যবাহী কালীবাড়ি ও শিবমন্দির। সূর্য কমলকে কাশী দাস সান্যালের দৌহিত্র নলিনী কান্ত লাহিড়ী এক্সিকিউটর হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন।

রানী ভবানীর অধীনে রাজশাহী অঞ্চলে কিছু সাব জমিদার ছিল, এবং সলপের জমিদার বাড়ি তার মধ্যে অন্যতম। রানী ভবানী এই সান্যাল বাড়িতে কিছু অনুদান দিয়েছিলেন। তখন উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ অঞ্চলটি পাবনার অধীনে ছিল। এই জমিদার পরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় সলপ এলাকায় যাতায়াত সহজ করতে জমিদারদের উদ্যোগে সলপ রেলওয়ে স্টেশন স্থাপিত হয়। ১৯২২ সালে সলপ স্টেশনের পাশে জমিদারদের অনুপ্রেরণায় সাদেক আলী খান ঘোল তৈরির কারখানা শুরু করেন। জমিদাররা এই ঐতিহ্যবাহী ঘোল খুব পছন্দ করতেন, এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা এখানে রেলওয়ে স্টেশন ও বিখ্যাত ঘোলের ব্যবসা গড়ে তোলার পেছনে ছিল।

স্থানীয়রা বলছেন, জাঁকজমকপূর্ণ প্রাসাদ এখন আর নেই। বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দেখতে আসেন এই জমিদার বাড়ি। এলাকার প্রবীণরা বলছেন, বাড়িটি তার রূপ ও জৌলুস দুটোই হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমানে বাড়িটিতে কোনো রক্ষণাবেক্ষণ নেই। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, বাড়িটির প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন খুব কম সময়ের মধ্যে বিলুপ্ত হবে। মেরাস সান্যাল বলেন, এই জমিদার বাড়ি আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি, এখানে আমরা থাকি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটা নিশ্চিহ্ন হচ্ছে। এখানে সরকার থেকে কোন অনুদান আসে না। তাই সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন এই জমিদার বাড়িটা যেন রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।

"জমিদার বাড়ি উল্লাপাড়া ঐতিহ্য ও ইতিহাস বহন করে। সলপের জমিদার বাড়ির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বিষয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের সঙ্গে ভবনটি সংস্কারের বিষয়ে কথা বলবো।"

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম বলেছেন, জমিদার বাড়ি উল্লাপাড়া ঐতিহ্য ও ইতিহাস বহন করে। তিনি প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের সঙ্গে কথা বলার কথা উল্লেখ করেছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সলপ ইউনিয়ন, উল্লাপাড়া উপজেলা, সিরাজগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাশী দাস সান্যাল, শ্রী সূর্য কমল ভট্টাচার্য, মেরাস সান্যাল, মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩০ বছর (বংশের ইতিহাস), ১২০৫ বঙ্গাব্দ (প্রতিষ্ঠা), ১৩০৪ বঙ্গাব্দ (ভূমিকম্প), ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ (পুনর্নির্মাণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖