📌 মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মমতাজ বেগম নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ চিকিৎসায় অবহেলার। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মমতাজ বেগম নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আনার পরও তাকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। পরে জরুরি বিভাগেই তার মৃত্যু ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মমতাজ বেগমের মৃত্যু
- 📌 স্বজনদের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আনার পরও দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি
- 📌 ঘটনার পর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতাল কর্মীদের হাতাহাতির ঘটনা
- 📌 মৃত্যু ঘটে শনিবার দুপুরে
- 📌 নিহত মমতাজ বেগম পার্শ্ববর্তী ঘিওর উপজেলার শ্রীবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা
📰 বিস্তারিত
শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মমতাজ বেগম নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আনার পরও তাকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। পরে জরুরি বিভাগেই তার মৃত্যু ঘটে। ঘটনার পর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতাল কর্মীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
নিহত মমতাজ বেগম পার্শ্ববর্তী ঘিওর উপজেলার শ্রীবাড়ি গ্রামের বাবুল হোসেনের স্ত্রী। স্বজনদের অভিযোগ, দুপুর পৌনে ১টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে পৌঁছানোর পর স্বজনরা তার অবস্থা গুরুতর জানিয়ে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার অনুরোধ করেন। তাদের অভিযোগ, তখন জরুরি বিভাগে অন্য রোগীকে দেখা হচ্ছিল।
নিহতের স্বজনেরা জানান, হাসপাতালে আনার পর মমতাজ বেগম অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে একজন মেডিকেল অফিসার তার প্রেশার ও পালস পরীক্ষা করে অক্সিজেন দেন। একপর্যায়ে রোগীকে পানি না দেওয়ার জন্য বলা হয় এবং মানিকগঞ্জে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে বলা হয়। স্বজনরা রোগীর অবস্থা গুরুতর জানিয়ে তাকে ভালোভাবে দেখার অনুরোধ করেন। পরে ইসিজি করে রোগী জীবিত থাকার কথা জানানো হলেও হাসপাতাল থেকে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাতিজা সাগর জানান, মমতাজ বেগম পায়ে হেঁটেই হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সেখানে যাওয়ার পর তাকে বারবার অন্যত্র নিয়ে যেতে বলা হয়। চিকিৎসা দেওয়ার অনুরোধ করলেও সেভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। পরে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাসপাতালের সেকমো তোফায়েলের ছেলে তাদের ওপর হামলা করেন বলেও অভিযোগ করেন সাগর।
হাসপাতালের সেকমো তোফায়েল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘রোগী যখন ম্যাডামের দক্ষিণ পাশে বসা ছিলেন, তখন কোনো সিম্পটম ছিল না। কয়েকজন রোগীকে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। রোগী মারা যাওয়ার পর তার স্বজনেরা আমার গায়ে হাত তোলে।’
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শাম্মী আক্তার বলেন, ‘নারী রোগীটি সম্ভবত বাসায় অজ্ঞান হয়েছিলেন। হাসপাতালে আসার পর রোগীকে দেখার আগেই তিনি আবার অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। চিকিৎসা চলাকালে তার অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে মানিকগঞ্জে রেফার করা হয়। তবে সেখানকার হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।’
‘রোগী যখন ম্যাডামের দক্ষিণ পাশে বসা ছিলেন, তখন কোনো সিম্পটম ছিল না। কয়েকজন রোগীকে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। রোগী মারা যাওয়ার পর তার স্বজনেরা আমার গায়ে হাত তোলে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মানিকগঞ্জ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মমতাজ বেগম (৫০), স্বজনরা, সেকমো তোফায়েল, ডা. শাম্মী আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ঘটে ২৯ আগস্ট দুপুরে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!