📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাছের ভালোবাসা থেকে শুরু করে লাখ টাকার ব্যবসা: রাজশাহীর ছাদবাগানের গল্প

গাছের ভালোবাসা থেকে শুরু করে লাখ টাকার ব্যবসা: রাজশাহীর ছাদবাগানের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহীর শারমিন আক্তার গাছের প্রতি অটুট ভালোবাসা থেকে শুরু করে নিজের বাড়ি তৈরি করে ছাদবাগানে গাছের ব্যবসা শুরু করেছেন। মাসে গড়ে লাখ টাকার ব্যবসা চলছে এই উদ্যোক্তা দম্পতির

রাজশাহীর একটি তিনতলা বাড়ির ছাদ এখন গাছের বাগানের মতো। সেখানে টব, ফুল, বনসাই, ক্যাকটাস, অর্কিড, সাকুলেন্ট এবং অ্যাডেনিয়ামের মতো বিভিন্ন ধরনের গাছের বৈচিত্র্য দেখতে পাওয়ার মতো। এই বাগানের মালিক শারমিন আক্তার। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় বিবিএ ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর আলম একজন ব্যাংকার। তাদের মিলিত শখ গাছের ব্যবসায় রূপ নেয়েছে ‘নেসারস টাচ’ নামে। শারমিন জানান, মাসে গড়ে লাখ টাকার বেশি বিক্রি হয় এই ব্যবসায়। কোনো কোনো মাসে বিক্রি হয় তিন লাখ টাকা পর্যন্ত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহীর মোহনপুর এলাকায় বসবাসকারী শারমিন আক্তার ও তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর আলম গাছের ব্যবসায়ে লাখ টাকার ব্যবসা শুরু করেছেন ‘নেসারস টাচ’ নামে।
  • 📌 মাসে গড়ে লাখ টাকা এবং কোনো মাসে তিন লাখ টাকারও বেশি বিক্রি হয় তাদের ব্যবসায়।
  • 📌 গাছের প্রতি ভালোবাসা শুরু হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের বারান্দায় গাছ রাখার মাধ্যমে।
  • 📌 ভাড়া বাসায় থাকাকালীন গাছের জন্য অশান্তি ও বাড়ি ছাড়ার চাপের মুখোমুখি হয়েছিলেন শারমিন।
  • 📌 ২০২১ সালের শেষ দিকে নিজের বাড়ি তৈরি করে গাছের জন্য বিশেষ ছাদবাগান তৈরি করেন।
  • 📌 বাগানে রয়েছে অ্যাডেনিয়ামের ২০০-এর বেশি ভ্যারিয়েটি, অর্কিডের ৬৫-এর বেশি, সাকুলেন্টের প্রায় ১০০, ক্যাকটাসের ৫০-এর বেশি এবং অন্যান্য গাছের বৈচিত্র্য।

📰 বিস্তারিত

শারমিন আক্তার গাছের প্রতি ভালোবাসা শুরু হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের বারান্দায়। প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টারেই তাঁর বিয়ে হয় এবং তাঁরা হলে থাকতেন। হলের বারান্দায় কয়েকটি গাছ রাখতেন শারমিন। বিভাগ ও হলের আশপাশে থাকা গাছের ডাল-চারা এনে লাগাতেন। প্রথম সন্তানের জন্মের সময় স্বামীর সঙ্গে ভাড়া বাসায় চলে যান। গাছের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হয়। এক বাসা থেকে আরেক বাসায় যাওয়ার সময় কাপড়চোপড়ের সঙ্গে গাছও যেতে থাকে।

গাছের প্রতি অটুট ভালোবাসা এবং গাছের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে শারমিনের জীবনে কষ্টের মুহূর্ত আসে। একসময় ভাড়া বাসায় থাকাকালীন গাছের জন্য অশান্তি হয়। কোনো বাড়ির মালিক বলেছিলেন, বাসায় থাকা যাবে, কিন্তু ছাদে গাছ রাখা যাবে না। গাছের জন্য নতুন বাসা খোঁজার চেষ্টা চালানোর সময়, এক বাসায় প্রায় ১০০টি গোলাপের টব রাখার কথা শুনে মালিক ভাড়া দেননি। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ি তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন শারমিন ও তাঁর স্বামী।

২০২১ সালের শেষ দিকে গাছগুলো নতুন বাড়ির ছাদে স্থানান্তরিত হতে শুরু করে। ২০২২ সালের ১৪ জানুয়ারি তাঁরা নতুন বাড়িতে চলে আসেন। বাড়ি পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই ছাদে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। জায়গা কমে গেলে গাছ রাখার জন্য কাঠামো তৈরি করা হয়। এখন তিনতলা বাড়ির ছাদজুড়ে সেই বাগান। শারমিন বলেন, ‘আমরা গাছের জন্যই বাড়ি করেছি। ভাড়া বাড়িতে কত কষ্ট করেছি। কত কটু কথা শুনতে হয়েছে। হয়তো গাছের জন্যই বাড়ি করার সাহস দেখেছিলাম।’

বাগানে রয়েছে অ্যাডেনিয়ামের ২০০-এর বেশি ভ্যারিয়েটি, অ্যাগলোনিমার ৬০-এর বেশি, অর্কিডের ৬৫-এর বেশি, সাকুলেন্টের প্রায় ১০০, স্নেক প্ল্যান্টের ১০০-এর বেশি এবং ক্যাকটাসের ৫০-এর বেশি ভ্যারিয়েটি। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের বনসাই, মনস্টেরা, জিজি প্ল্যান্ট, জেড প্ল্যান্ট, ক্যালাথিয়া, সিঙ্গোনিয়াম, পিস লিলি, পাথোস, অ্যান্থুরিয়াম, ফিটোনিয়া, হাওয়ারথিয়া, ইউফরবিয়া, বাগানবিলাসসহ নানা ধরনের ফুল ও পাতাবাহার গাছ রয়েছে।

"আমরা গাছের জন্যই বাড়ি করেছি। ভাড়া বাড়িতে কত কষ্ট করেছি। কত কটু কথা শুনতে হয়েছে। হয়তো গাছের জন্যই বাড়ি করার সাহস দেখেছিলাম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী, মোহনপুর এলাকা, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শারমিন আক্তার ও জাহাঙ্গীর আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মাসে গড়ে লাখ টাকা, ২০০+ অ্যাডেনিয়াম ভ্যারিয়েটি, ৬৫+ অর্কিড ভ্যারিয়েটি, ১০০+ সাকুলেন্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖