📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরের গন্ধ পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী?

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরের গন্ধ পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরে এক ধরনের বিশেষ গন্ধ তৈরি হয়, যা মূলত ত্বকের রাসায়নিক পরিবর্তনের কারণে ঘটে। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের গবেষকরা এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উন্মোচন করেছেন

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরে এক ধরনের বিশেষ গন্ধ তৈরি হওয়ার বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সোনাল চৌধুরী জানান, এই গন্ধ ত্বকের স্বাভাবিক রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলাফল। তবে এটি কেবল অপরিষ্কার থাকার কারণে নয়। ত্বকের তেল যখন বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসে, তখন তা জারিত হয়ে ২-নোনেনাল নামক যৌগ তৈরি করে, যা এই গন্ধের প্রধান কারণ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে ২-নোনেনাল নামক যৌগের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সোনাল চৌধুরী এই বিষয়ে গবেষণা করছেন
  • 📌 ২০০১ সালে জাপানি গবেষকরা প্রথম আবিষ্কার করেন যে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে ২-নোনেনাল বৃদ্ধি পায়
  • 📌 অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার খেলে এই যৌগের পরিমাণ কমে যায়

📰 বিস্তারিত

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরে এক ধরনের বিশেষ গন্ধ তৈরি হওয়ার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা হয়ে আসছে। অনেকেই একে দাদা-দাদির পুরোনো বাড়ির গন্ধের সঙ্গে তুলনা করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সোনাল চৌধুরী জানান, এই গন্ধ মূলত ত্বকের রাসায়নিক পরিবর্তনের কারণে ঘটে। ত্বকের তেল যখন বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসে, তখন তা জারিত হয়ে ২-নোনেনাল নামক যৌগ তৈরি করে।

২০০১ সালে জাপানি গবেষকরা প্রথম আবিষ্কার করেন যে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে ২-নোনেনালের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এই যৌগটি বয়স্কদের শরীরের বিশেষ গন্ধের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে এই গন্ধের পরিমাণ সবার ক্ষেত্রে সমান নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, চল্লিশোর্ধ্ব বা মধ্যবয়সে এই যৌগের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে এবং পরবর্তীতে তা স্থিতিশীল হয়ে যায়।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার খেলে এই যৌগের পরিমাণ কমে যায়। গাঢ় সবুজ শাক ও শিমজাতীয় খাবার খেলে শরীরের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে শুধু রাসায়নিক যৌগ নয়, মানুষের জীবনযাত্রা, পরিচ্ছন্নতা ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশও শরীরের গন্ধকে প্রভাবিত করে। ওষুধ খাওয়া, দীর্ঘদিনের রোগ, খাদ্যাভ্যাস এবং থাকার জায়গার পরিবর্তনও গন্ধ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে।

"বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে কিছু স্বাভাবিক রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে, যার ফলে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা মানুষের শরীরেও এই গন্ধের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোনাল চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২-নোনেনাল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖