📌 সৌদি আরবে ভালো চাকরির প্রলোভনে ছয় লাখ টাকা আদায় এবং ভুক্তভোগীকে নির্যাতনের অভিযোগে মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য সালমান হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের সিআইডি। ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রী মামলা করেছেন
সৌদি আরবে ভালো চাকরির প্রলোভনে ছয় লাখ টাকা আদায় এবং পরবর্তীতে ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য মো. সালমান হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বয়স ৩৩ বছর। আজ সোমবার দুপুরে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরবে ভালো চাকরির প্রলোভনে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে
- 📌 গত বছরের ৭ জুন ভুক্তভোগীকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়, কিন্তু চাকরি দেওয়া হয়নি
- 📌 সালমান হোসেন ও চক্রের সদস্যরা ভুক্তভোগীকে সৌদি আরবের একটি বাসায় আটকে রেখে ইকামা দেওয়ার কথা বলে আরও টাকা দাবি করেন
- 📌 টাকা আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীকে শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং পরে তিনি পালিয়ে যান
- 📌 ভুক্তভোগীর স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় সালমান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সৌদি আরবে ভালো চাকরির প্রলোভনে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা আদায় এবং পরবর্তীতে তাঁকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য মো. সালমান হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের সিআইডি। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বয়স ৩৩ বছর। ঘটনার সূত্র ধরে প্রাথমিক তদন্তে সালমান হোসেনের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গত বছরের ৭ জুন ভুক্তভোগীকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাঁকে কোনো চাকরি দেওয়া হয়নি। সালমান হোসেন ও চক্রের সদস্যরা ভুক্তভোগীকে সৌদি আরবের একটি বাসায় আটকে রাখেন। পরে ইকামা দেওয়ার কথা বলে তাঁর পরিবারের কাছ থেকে আরও টাকা দাবি করা হয়। টাকা আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীকে শারীরিক নির্যাতনও করা হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
একপর্যায়ে ভুক্তভোগী কৌশলে পালিয়ে যান এবং মরুভূমি এলাকায় গিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে আশ্রয় নেন। পরে সৌদি পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর গত ২২ জুলাই তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রী বাদী হয়ে সাভার থানায় মানব পাচার আইনে মামলা করেন।
"সালমান হোসেন ও চক্রের সদস্যরা ভুক্তভোগীকে সৌদি আরবের একটি বাসায় আটকে রেখে ইকামা দেওয়ার কথা বলে তাঁর পরিবারের কাছ থেকে আরও টাকা দাবি করেন। টাকা আদায়ের জন্য তাঁকে শারীরিক নির্যাতনও করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সৌদি আরব, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমান হোসেন (৩৩), ভুক্তভোগী, ভুক্তভোগীর স্ত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ টাকা, ৩৩ বছর, ৭ জুন, ২২ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!