📌 হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইন একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ঘুষ নেওয়ার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার মামলার তদন্তকালে তিনি ঘুষের কথা উল্লেখ করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, তিনি মামলায় অনিয়ম করে আর্থিক সুবিধা নেয়
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইন একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ঘুষ নেওয়ার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার মামলার তদন্তকালে তিনি ঘুষের কথা উল্লেখ করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, তিনি মামলায় অনিয়ম করে আর্থিক সুবিধা নেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইন একটি ভিডিওতে ঘুষ নেওয়ার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন: "আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই"।
- 📌 রানীগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার মামলার তদন্তকালে তিনি এই কথা বলেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
- 📌 গাজীপুর ইউনিয়নের টেকারঘাট গ্রামে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার মামলায় অভিযোগ উঠেছে যে, এএসআই ইলিয়াস হোসাইন বাদীকে ভয় দেখিয়ে মামলা তুলে নিতে চাপ দিয়েছেন।
- 📌 চুনারুঘাট থানার ওসি সাইফুল ইসলামকে অভিযোগ করা হয় যে, তিনি ইলিয়াস হোসাইনের এলাকার 'বড় ভাই'-এর মতো প্রভাব খাটান।
- 📌 ভিডিও দেখে ইলিয়াস হোসাইন বলেছেন, "এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না" এবং মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন। ওসি সাইফুল ইসলাম বলেছেন, বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তিনি বলেছেন, "কিছু রটে দেখেই তো কিছু বটে! কথা বুঝছ না? আমি যদি বলি, আমি পুলিশের দারোগা, আমি ঘুষ খাই না, আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব, হইব নাকি? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই।" এই কথাগুলো তিনি রানীগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার মামলার তদন্তকালে বলেছেন। স্থানীয় লোকজনের মতে, তিনি ঘুষ ছাড়া মামলার তদন্তে আগ্রহ দেখান না।
গাজীপুর ইউনিয়নের টেকারঘাট গ্রামে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে করা মামলার তদন্তকালে ইলিয়াস হোসাইনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, তিনি বাদীকে ভয় দেখিয়ে মামলা তুলে নিতে চাপ দিয়েছেন এবং আর্থিক সুবিধা নিয়ে অনিয়ম করেছেন। এছাড়াও, স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, চুনারুঘাট থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ইলিয়াস হোসাইনের এলাকার 'বড় ভাই'-এর মতো প্রভাব খাটান।
ভিডিওর বিষয়ে জানতে ইলিয়াস হোসাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেছেন, "এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না" এবং মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন। চুনারুঘাট থানার ওসি সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেছেন, "ভিডিওটি আমি দেখেছি। এটি যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তাঁর (ইলিয়াস হোসাইনের) সঙ্গে বসে বিষয়টি জানার চেষ্টা করব।"
"কিছু রটে দেখেই তো কিছু বটে! কথা বুঝছ না? আমি যদি বলি, আমি পুলিশের দারোগা, আমি ঘুষ খাই না, আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব, হইব নাকি? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানা, রানীগাঁও বাজার, গাজীপুর ইউনিয়নের টেকারঘাট গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইন, ওসি সাইফুল ইসলাম, ব্যবসায়ী নোমান মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (ভিডিও), ১ (মামলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!