📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরে গণপতি পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার বিস্ময়কর বর্ণনা আদালতে দিল আসামিরা

রংপুরে গণপতি পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার বিস্ময়কর বর্ণনা আদালতে দিল আসামিরা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশ নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে। আদালতে আসামিদের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে হত্যার বিস্তারিত বিবরণ, যেখানে ইয়াবা সেবন ও সামাজিক ব্যবধানকে দায়ী করা হয়েছে

রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এক ব্রিফিংয়ে গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন তথ্য তুলে ধরেন। আদালতে আসামিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের দিন সকালে গণপতি চক্রবর্তী তাঁর বাড়ির ছাদে হাঁটতে গিয়ে সেখানে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে দেখে ফেলেন এবং ধমক দেন। এরপর তাঁকে ছাদেই হত্যা করা হয়। শব্দ শুনে স্ত্রী ও মেয়ে ছাদে এলে তাঁদেরও হত্যা করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হত্যাকাণ্ডের দিন ছিল শুক্রবার, সকালে ঘটনাস্থল ছিল গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদ
  • 📌 গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয় ছাদে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় দেখে ফেলায়
  • 📌 স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যা করা হয় তাঁদের ছাদে আসার পর
  • 📌 আসামিরা ইয়াবা সেবনের উদ্দেশ্যে ছাদ ব্যবহার করতেন বলে পুলিশ জানায়
  • 📌 হত্যাকাণ্ডের পেছনে সামাজিক ব্যবধান ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের সম্ভাবনা তদন্তাধীন

📰 বিস্তারিত

রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ আদালতে আসামিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের নতুন বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি জানান, গণপতি চক্রবর্তী তাঁর বাড়ির ছাদে হাঁটতে গিয়ে সেখানে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে দেখে ফেলেন এবং ধমক দিয়ে প্রশ্ন করেন, ‘তোরা এত সকালে এখানে কী করিস?’। তাঁদের মাথা কাজ করছিল না বলে আসামিরা গলায় গামছা পেঁচিয়ে গণপতিকে হত্যা করে।

স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার বর্ণনায় পুলিশ কমিশনার বলেন, শব্দ শুনে তাঁরা ছাদে এলে আসামিরা তাঁদেরও হত্যা করে। স্ত্রীর গলা চেপে ধরে মুগ্ধ দাস এবং মেয়ের গলা চেপে ধরে সিদ্ধার্থ দাস। মেয়ে জীবিত থাকলে তাঁর গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর আসামিরা গণপতির ঘরে প্রবেশ করলে তাঁর ছেলে প্রিয়ম ঘুম থেকে উঠে সিদ্ধার্থকে দেখতে পায়। প্রিয়মকে হত্যা করা হয় তাঁর মুখ ও গলা চেপে ধরে।

পুলিশ কমিশনার আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের পেছনে সামাজিক ব্যবধান ও পূর্বপুরুষের জমি সংক্রান্ত বিরোধের সম্ভাবনা তদন্তাধীন। তিনি বলেন, ‘গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারের সঙ্গে দেবুদের পরিবারের সামাজিক ব্যবধান ছিল। এছাড়া পূর্বপুরুষের জমি ক্রয়ের বিষয়েও বিরোধ থাকতে পারে।’

"সিদ্ধার্থ দাদা, তুমি এখানে কেন?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর মহানগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে প্রিয়ম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖