📌 রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের তদন্তকে 'সাজানো নাটক' দাবি করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও নাগরিকরা। তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে
রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে পুলিশের তদন্ত পদ্ধতি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ ও অবরোধ করেছেন স্থানীয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট নাগরিকরা। রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে রংপুর শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও অবরোধের আয়োজন করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৩) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২) খুন হন বৃহস্পতিবার রাতে
- 📌 পুলিশ দাবি করে দুই যুবক ইয়াবা সেবনের সময় বাধা দেওয়ায় শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং গোসল-খাবার খেয়ে পালায়
- 📌 পুলিশের বর্ণনার সঙ্গে ময়নাতদন্তের তথ্যের অসঙ্গতি তুলে ধরে প্রতিবাদকারীরা
- 📌 প্রশাসনের বিরুদ্ধে তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়ে নগরী অচল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে
- 📌 বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নাগরিক কমিটি
📰 বিস্তারিত
রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের তদন্ত পদ্ধতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজ। রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ জানান, পুলিশের বর্ণনা অনুযায়ী দুই যুবক মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে চারজন সুস্থ মানুষকে হত্যা করে গোসল ও খাবার খেয়ে পালিয়েছে — এমন ঘটনা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তিনি বলেন, 'এই পুরো ঘটনা একটি সাজানো নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়।'
সাবেক শিক্ষার্থী শরিফুল রহমান পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদের বক্তব্যের সঙ্গে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের তথ্যের সরাসরি বিরোধ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'পুলিশ কমিশনার দাবি করেছেন, প্রার্থীর চোয়াল ভেঙে গেছে এবং চোখ বের হয়ে এসেছে, কিন্তু ফরেনসিক বিভাগের ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস জানিয়েছেন এমন কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।'
মহিলা পরিষদের রংপুর জেলা সভাপতি রুমানা জামান বলেন, 'দুইজন মানুষ কয়েক মিনিটের মধ্যে চারজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়া বাস্তবে অসম্ভব। আমরা চাই প্রকৃত খুনিদের শনাক্ত করা হোক, কোনো বলির পাঁঠা দিয়ে মামলা ধামাচাপা না দেওয়া হোক।'
"পুলিশের বর্ণনা অনুযায়ী দুই যুবক ইয়াবা সেবনের সময় বাধা দেওয়ায় গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করে গোসল ও খাবার খেয়ে পালিয়েছে — এমন ঘটনা বিশ্বাসযোগ্য নয়। এই পুরো ঘটনা একটি সাজানো নাটক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুরের মাছুয়াপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৩), প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত, ৩ দিনের আলটিমেটাম, ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!