📌 বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশনের ওপর দিনব্যাপী হ্যান্ডস-অন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের পুনর্বাসনে বহুমাত্রিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলন হল এক্সটেনশনে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন বিষয়ে দিনব্যাপী হ্যান্ডস-অন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন-এর যৌথ আয়োজনে কর্মশালাটি রোববার (৩০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কর্মশালাটি পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন বিষয়ে দেশের চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করে
- 📌 বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর কর্মশালার প্রশংসা করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন
- 📌 কর্মশালায় COPD, অ্যাজমা ও ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজে আক্রান্ত রোগীদের পুনর্বাসন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়
- 📌 বিশেষজ্ঞরা বহুমাত্রিক সহযোগিতার মাধ্যমে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশনকে টেকসই করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলন হল এক্সটেনশনে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন বিষয়ে দিনব্যাপী হ্যান্ডস-অন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালাটি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন-এর যৌথ আয়োজনে রোববার (৩০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ডা. এম. এ. শাকুর, চেয়ারম্যান, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী। তিনি পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়কে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশনের ক্ষেত্রে একটি Center of Excellence হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।
কর্মশালাটি পরিচালনা করেন অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি কর্মশালার বিভিন্ন পর্বের মধ্যে সমন্বয় করেন এবং পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশনকে বাংলাদেশে আরও কার্যকর ও টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সকল বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-পেশাজীবীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
"COPD, অ্যাজমা, ব্রঙ্কিয়েক্টেসিস, ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ওষুধ যথেষ্ট কার্যকর হয় না। রোগীরা ধীরে ধীরে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন, কর্মক্ষমতা হারান এবং দৈনন্দিক কাজ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সক্ষমতা কমে যায়। বিশেষ করে low-resource settings-এ সর্বস্তরের গরীব-ধনী রোগীদেরকে কীভাবে লাগসই প্রযুক্তিতে পুনর্বাসনের মাধ্যমে আবার কর্মক্ষম ও স্বনির্ভর করে তোলা যায় এবং সমাজ ও জাতির উন্নয়নে তাদের পুনরায় সম্পৃক্ত করা যায়—এই কর্মশালার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।"
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ নাদিম কামাল। তিনি অংশগ্রহণকারী ও অতিথিদের স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাক)-এর সেক্রেটারি জেনারেল এবং NIDCH-এর পরিচালক ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল তার বক্তব্যে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশনের উন্নয়নে বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি BSPMR-এর সঙ্গে DAB-এর MOU করে প্রতিবছর এক বা একাধিক এ ধরনের কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন।
প্রফেসর ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন), বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, তার বক্তব্যে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি এ ধরনের কর্মসভাতে অন্যান্য বিষয়ের ডাক্তারদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
প্রফেসর ডা. সাইফুল্লাহ মুনশী, পরিচালক, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, তার বক্তব্যে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন শ্বাসতন্ত্রের রোগ ও সংক্রমণের পর রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান ফিরিয়ে আনতে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশনের ভূমিকা অপরিহার্য।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিলন হল এক্সটেনশন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রফেসর ডা. এম. এ. শাকুর, প্রফেসর ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী, ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!