📌 একুশের চেতনা ও মুক্তিসংগ্রামে অবদান রাখা শহীদুল্লা কায়সার, জহির রায়হান ও আলতাফ মাহমুদকে স্মরণ করছে বাংলাদেশ। তাদের জীবন ও কর্মের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে মহান একুশের প্রভাব
মহান একুশের চেতনা ও মুক্তিসংগ্রামে অবদান রাখা তিন শহীদ—শহীদুল্লা কায়সার, জহির রায়হান ও আলতাফ মাহমুদ—কে স্মরণ করছে বাংলাদেশ। তাদের জীবন ও কর্মের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে মহান একুশের প্রভাব। একুশে ফেব্রুয়ারি আসন্ন হলে স্বাভাবিকভাবেই তাদের কথা মনে পড়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৭৮ সালের ২৫ জুন সাপ্তাহিক সচিত্র সন্ধানীতে প্রকাশিত হয় মতিউর রহমানের লেখা ‘সন্ধানীর জহির’
- 📌 ১৯৮৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক একতায় প্রকাশিত হয় ‘জীবনে একটু আগুন চাই’ শিরোনামে জহির রায়হানের নিবন্ধ
- 📌 ২০২১ সালে প্রকাশিত ‘জহির রায়হান: অনুসন্ধান ও ভালোবাসা’ বইয়ে অন্তর্ভুক্ত হয় উক্ত লেখাটি
- 📌 শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের নেতা
- 📌 জহির রায়হান ছিলেন মহান একুশের বলিষ্ঠ কর্মী এবং চলচ্চিত্রকার
- 📌 আলতাফ মাহমুদ ছিলেন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের সুরকার ও একুশের চেতনার ধারক
- 📌 তিনজনই স্বাধীনতার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন
📰 বিস্তারিত
মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আসন্ন হলে স্বাভাবিকভাবেই শহীদুল্লা কায়সার, জহির রায়হান ও আলতাফ মাহমুদসহ ভাষা আন্দোলনের শহীদদের কথা মনে পড়ে যায়। শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক। তাঁর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। অন্যদিকে, জহির রায়হান ছিলেন মহান একুশের বলিষ্ঠ কর্মী এবং চলচ্চিত্রকার। তাঁর রচিত গল্প, উপন্যাস ও চলচ্চিত্রে বারবার ফুটে উঠেছে একুশের চেতনা। আলতাফ মাহমুদ ছিলেন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের সুরকার ও একুশের চেতনার ধারক। তাঁর সৃষ্ট গান আজও আমাদের উদ্দীপ্ত করে।
তিনজনই স্বাধীনতার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। শহীদুল্লা কায়সারকে স্বাধীনতার সূর্যোদয়ের ঠিক আগে আলবদর বাহিনী হত্যা করে। আলতাফ মাহমুদকে পাকিস্তানি সেনারা নিষ্ঠুর নির্যাতনের পর হত্যা করে। আর জহির রায়হান স্বাধীনতার পর তাঁর অগ্রজ শহীদুল্লা কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে মিরপুরে স্বাধীনতাবিরোধীদের গুলিতে শহীদ হন।
জহির রায়হান ছিলেন একজন সংগ্রামী মানুষ। তাঁর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে একুশের চেতনা। তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের জন্য নিয়মিত আর্থিক সাহায্য প্রদান করতেন। ১৯৭০ সালের ডাকসু নির্বাচনের সময় তাঁর মরিস অক্সফোর্ড গাড়িটি দলের জন্য ব্যবহৃত হয়। এছাড়া, তিনি পূর্ব পাকিস্তান সোভিয়েত মৈত্রী সমিতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
"জহির রায়হান ছিলেন একজন সংগ্রামী মানুষ। তাঁর জীবন ও কর্মের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে মহান একুশের চেতনা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কলকাতা, মিরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহীদুল্লা কায়সার, জহির রায়হান, আলতাফ মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ (জুন), ৫ (ফেব্রুয়ারি), ৭১ (সাল), ৫০ (তম বার্ষিকী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!