📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলোই হয়ে উঠেছে গোপন কারাগার: অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলোই হয়ে উঠেছে গোপন কারাগার: অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দেশজুড়ে পাঁচ শতাধিক মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের বেশিরভাগই সাইনবোর্ডসর্বস্ব। এসব কেন্দ্রে চিকিৎসার নামে চলে মারধর, নির্যাতন ও অর্থ আদায়। এমনকি ভালো মানুষকেও মাদকাসক্ত সাজিয়ে বন্দি রাখে বিশেষ টিম। যুগান্তরের অনুসন্ধানে উঠে এলো এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

দেশজুড়ে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের সংখ্যা পাঁচ শতাধিক হলেও বেশিরভাগই সাইনবোর্ডসর্বস্ব। এসব কেন্দ্রে ন্যূনতম চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকলেও চলে মারধর ও মধ্যযুগীয় নির্যাতন। এমনকি এখান থেকে মাদক ব্যবসাও পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিভাবকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের পাশাপাশি রোগীকে সুস্থ করার নামে মাদক কেনার টাকাও দিতে বাধ্য করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের সংখ্যা পাঁচ শতাধিক
  • 📌 বেশিরভাগ কেন্দ্রেই নেই কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা
  • 📌 অভিভাবকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের পাশাপাশি চলে মারধর ও নির্যাতন
  • 📌 বিশেষ টিম ‘ক্যাচিং পার্টি’ ভালো মানুষকেও মাদকাসক্ত সাজিয়ে বন্দি রাখে
  • 📌 রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অবস্থিত ভিআইপি ক্যাটাগরির একটি কেন্দ্রে অনুসন্ধানে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

📰 বিস্তারিত

যুগান্তরের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশজুড়ে পাঁচ শতাধিক মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের বেশিরভাগই শুধু নামেই প্রতিষ্ঠান। এসব কেন্দ্রে চিকিৎসার নামে চলে মারধর ও মধ্যযুগীয় নির্যাতন। এমনকি এখান থেকে মাদক ব্যবসাও পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিভাবকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের পাশাপাশি রোগীকে সুস্থ করার নামে মাদক কেনার টাকাও দিতে বাধ্য করা হয়।

এছাড়া সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকে শুরু করে সম্পত্তির বিরোধে ভাড়া খাটে নিরাময় কেন্দ্রের বিশেষ টিম। যাদের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্যাচিং পার্টি’। এই দলটি টাকার বিনিময়ে ভালো মানুষকেও মাদকাসক্ত সাজিয়ে তাদের বন্দি করে রাখে। ফলে নিরাময়কেন্দ্র নামের এসব প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে একেকটি গোপন কারাগার।

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অবস্থিত ভিআইপি ক্যাটাগরির একটি কেন্দ্রের নাম বীকন পয়েন্ট। গুলশানের ২৩/এ সড়কের চার নম্বর হোল্ডিংয়ে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরে অনুসন্ধান চালায় যুগান্তর। অনুসন্ধান দলের প্রধানসহ তিন সদস্য গোপন পরিচয় নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রবেশ করেন। তারা জানান, বেসরকারি চাকরিজীবী এবং গাঁজাসেবী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেন।

প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরে প্রবেশের পর দেখা যায়, দৈনিক চিকিৎসা ব্যয় ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা। অন্তত তিন মাসের চিকিৎসার জন্য এই ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন পরীক্ষা ও ওষুধের খরচ আলাদা। স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা ফোনকলও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ নিয়মকানুন ছিল অত্যন্ত কড়া।

অনুসন্ধান দলের সদস্যরা জানান, ভর্তির জন্য অগ্রিম দুই লাখ টাকা জমা দেওয়ার পরই তাদের ভর্তি করা হয়। নিয়মানুযায়ী মাদকাসক্ত হিসাবে কাউকে ভর্তির আগে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হলেও তা মানা হয়নি। ভর্তির পর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় প্রতিষ্ঠানের বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টিত রেড জোনে। যেখানে বাইরের কারও প্রবেশের সুযোগ ছিল না।

২৬ জুলাই সন্ধ্যা সাতটায় প্রতিষ্ঠানটিতে প্রবেশের পর অনুসন্ধান দলের সদস্যরা দেখতে পান, চারপাশ পর্দা ঘেরা একটি বদ্ধ পরিবেশ। যেখানে আলো-বাতাস প্রবেশের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এমন পরিবেশে কিছুক্ষণ থাকার পর উৎকট গন্ধে তাদের গা গুলিয়ে ওঠে।

রাত সাড়ে নয়টায় খাবারের সময় তাদের সামনে আনা হয় ২০ থেকে ২৫ জন তরুণকে। যারা নিজেদের মাদকাসক্ত বলে পরিচয় দেন। অনুসন্ধান দলের সদস্যরাও মাদকাসক্তের ভান করে তাদের সঙ্গে মিশে যান। কিন্তু অবাক কাণ্ড, তাদের কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই চিকিৎসা শুরু করা হয়। নাম না জানা কয়েকটি ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল খেতে বাধ্য করা হয়।

"প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরে প্রবেশের পরই বুঝতে পারি এটি কোনো চিকিৎসাকেন্দ্র নয়। এটি একটি গোপন কারাগার। যেখানে চিকিৎসার নামে চলে নির্যাতন ও অর্থ আদায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গুলশান, ঢাকা
  • 👥 অনুসন্ধান দলের সদস্য: প্রধানসহ তিনজন
  • 🔢 প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান: ২৩/এ সড়ক, চার নম্বর হোল্ডিং
  • 🔢 দৈনিক চিকিৎসা ব্যয়: ২০ হাজার টাকা
  • 🔢 ভর্তির জন্য অগ্রিম অর্থ: দুই লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖