📌 নরসিংদীর রায়পুরায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা হুমায়ুন কবির (৫২) আটজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে
নরসিংদীর রায়পুরায় দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ, ভাঙচুর ও দোকানে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের উত্তর মির্জানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা ও একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ
- 📌 প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
- 📌 ভুক্তভোগী হুমায়ুন কবির (৫২) থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সাইফুল ইসলাম মুন্না, সাইফুল রহমান ওরফে আপেল (৪৬), রিয়াদ (২৫), জুহেরা বেগম (৫৫), আরিফা আক্তার মুন্নি (২২), নাছির মিয়া (২৮) ও তানভীর (৩৫)
- 📌 অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি হিসেবে
📰 বিস্তারিত
উত্তর মির্জানগর গ্রামে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিরোধের জেরে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি প্রকাশ্যে গুলি চালায় এবং এলাকার দোকানপাটে ভাঙচুর চালায়। ঘটনায় এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
ভুক্তভোগী হুমায়ুন কবির (৫২) ঘটনার পরপরই রায়পুরা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। তিনি অভিযোগপত্রে আটজনের নাম উল্লেখ করেন এবং আরও অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সাইফুল ইসলাম মুন্না, সাইফুল রহমান ওরফে আপেল (৪৬), রিয়াদ (২৫), জুহেরা বেগম (৫৫), আরিফা আক্তার মুন্নি (২২), নাছির মিয়া (২৮) ও তানভীর (৩৫)।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়। স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
"জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুরের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর মির্জানগর, মির্জানগর ইউনিয়ন, রায়পুরা, নরসিংদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুমায়ুন কবির (৫২)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ (আসামির নাম উল্লেখ), ১৫-২০ (অজ্ঞাতনামা আসামি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!