📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাঙ্গুনিয়ার দুই হাজার একর বনভূমি দখলে, উদ্ধারে গেলেই হামলা ও গাছ লুটের অভিযোগ বনকর্মীদের

রাঙ্গুনিয়ার দুই হাজার একর বনভূমি দখলে, উদ্ধারে গেলেই হামলা ও গাছ লুটের অভিযোগ বনকর্মীদের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় দুই হাজার একরের বেশি বনভূমি অবৈধ দখলে রয়েছে। বন উদ্ধারে গেলেই স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সশস্ত্র সহযোগিতায় হামলা ও গাছ লুটের অভিযোগ তুলেছেন বনকর্মীরা। সরকার পরিবর্তনের পরও থামেনি এসব অনিয়ম

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় দুই হাজার একরের বেশি বনভূমি অবৈধ দখলে রয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের রাজনৈতিক ও সশস্ত্র সমর্থনে বন উদ্ধারে গেলেই হামলা, কর্মকর্তাদের আটকে রেখে গাছ লুটের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বনকর্মীরা। সরকার পরিবর্তনের পরও থামেনি এসব অনিয়ম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাঙ্গুনিয়ার দুই হাজার একরের বেশি বনভূমি অবৈধ দখলে রয়েছে
  • 📌 বন উদ্ধারে গেলেই স্থানীয় প্রভাবশালীদের সশস্ত্র সহযোগিতায় হামলা ও গাছ লুটের অভিযোগ
  • 📌 সরকার পরিবর্তনের পরও থেমে যায়নি বন দখল ও গাছ পাচার
  • 📌 ২০২৪ সালের আগস্টে এরশাদ মাহমুদের দখলে থাকা দুইশ একর জমি উদ্ধার হলেও এখনো চলছে অনিয়ম
  • 📌 বনকর্মীরা অভিযানে গেলে হামলার শিকার হন এবং কর্মকর্তাদের আটকে রেখে গাছ লুট করা হয়

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় কর্ণফুলী নদীর ওপারে অবস্থিত কোদালা, নারিশ্চা, চিরিঙ্গা, পোমরা ও নিশ্চিন্তপুর বন বিট এলাকায় ব্যাপকভাবে বনভূমি দখল ও গাছ উজাড়ের ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও বনকর্মীরা জানান, ২০২৪ সালের আগস্ট সরকার পরিবর্তনের আগ পর্যন্ত এসব এলাকায় বনভূমি ও পাহাড় দখলের নিয়ন্ত্রণ ছিল সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদের অনুসারীদের হাতে। তাঁর ভাই এরশাদ মাহমুদ প্রায় দুইশ একর বনভূমি দখলে রাখলেও সরকার পরিবর্তনের পর তা উদ্ধার করা হয়।

তবে বর্তমান সরকার গঠনের পরও থেমে যায়নি বন দখল ও গাছ পাচার। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে পাহাড় কাটার ক্ষতচিহ্ন, নতুন বসতি স্থাপন এবং কাটা গাছের গোড়া। স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, রাতে শতাধিক ট্রাক দিয়ে পাহাড়ের মাটি নিয়ে যাওয়া হয়, যা বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়।

বন বিভাগ সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার গঠনের পরও স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতা-কর্মীদের পরিচয় ব্যবহার করে বনভূমি দখলের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। বন কর্মকর্তারা জানান, পাহাড় কাটা ও বন দখলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক প্রভাব ও সশস্ত্র লোকবল রয়েছে। ফলে সীমিতসংখ্যক কর্মীর পক্ষে তাঁদের প্রতিরোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গত বছরের ৭ মার্চ রাত সাড়ে বারোটা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত প্রায় ৪৫ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি কোদালা বন বিটের কর্মকর্তা খোন্দকার মাহাবুবুর রহমান ও তাঁর সহকর্মীদের কার্যালয়ে আটকে রাখেন। তাঁদের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং বিভিন্ন দেশি অস্ত্রের মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় দক্ষিণ জঙ্গল নিশ্চিন্তপুর এলাকার সেগুনবাগান থেকে ২৪টি সেগুনগাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

"অভিযানে গেলেই কয়েক শ মানুষ জড়ো হয়ে ধাওয়া দেয়। বন বিভাগের কর্মকর্তারা হত্যার হুমকি পান। সশস্ত্র বনদস্যু ও দখলকারীদের ঠেকাতে গত দেড় বছরে অভিযানের সময় প্রায় তিনবার হামলার শিকার হয়েছেন কর্মকর্তারা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: খোন্দকার মাহাবুবুর রহমান (বন কর্মকর্তা), এরশাদ মাহমুদ (সাবেক প্রভাবশালী ব্যক্তি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই হাজার একর, দুইশ একর, তিনবার হামলা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖