📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী বিআরটিএতে দুর্নীতির রাজত্ব: ঘুষ ছাড়া কোনো সেবা নেই, পরীক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত ফেল করা হয়

রাজশাহী বিআরটিএতে দুর্নীতির রাজত্ব: ঘুষ ছাড়া কোনো সেবা নেই, পরীক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত ফেল করা হয়

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রিনিউ বা ফিটনেস সার্টিফিকেটের মতো সেবা পেতে ঘুষ দিতে হয়। পরীক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত ফেল করা, টাকা না দিলে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না করা, বায়োমেট্রিক টেস্টে ১২ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করা — এসবের অভিযোগ উঠেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালালদের ত্রিমুখী যোগসাজশে সেবাগ্রহীরা হয়রানি ও আতঙ্কের শিকার হচ্ছেন

রাজশাহী বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রিনিউ, ফিটনেস সার্টিফিকেট বা বায়োমেট্রিক পরীক্ষা পাসের মতো সেবা পেতে ঘুষ ছাড়া কোনো উপায় নেই। সরকারি আইন মেনে পরীক্ষা দেওয়া বা সঠিক উত্তর দিলেও দালালের মাধ্যমে অগ্রিম টাকা না দিলে পরীক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত ফেল করা হয়। সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বায়োমেট্রিক টেস্টে ১২ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদমান জানান, গতবার কোনো যোগাযোগ না করেই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, ফলে তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করা হয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী বিআরটিএতে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রিনিউ, ফিটনেস বা বায়োমেট্রিক পরীক্ষা পেতে ঘুষের বিনিময়ে সেবা দেওয়া হয়
  • 📌 পরীক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত ফেল করা, টাকা না দিলে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না করা — এসবের অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 বায়োমেট্রিক টেস্টে ১২ হাজার টাকা, লাইসেন্স রিনিউতে ৩,৫০০ থেকে ৪,০০০ টাকা, কার ও মোটরসাইকেলের যৌথ লাইসেন্সে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হয়
  • 📌 কর্মকর্তা-কর্মচারী, আনসার সদস্য ও দালালদের ত্রিমুখী যোগসাজশে সেবাগ্রহীরা হয়রানি ও আতঙ্কের শিকার
  • 📌 'সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫'-এ বিআরটিএতে ৭৯.৩% সেবাগ্রহী দুর্নীতির শিকার

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রিনিউ, স্মার্টকার্ড, বায়োমেট্রিক, গাড়ি ফিটনেস প্রসেসিং বা নম্বর প্লেট অনুমোদন — এসব সেবা পেতে ঘুষ ছাড়া কোনো উপায় নেই। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিরাপত্তা কর্মী (আনসার) এবং বহিরাগত দালালদের ত্রিমুখী যোগসাজশে সেবাগ্রহীরা হয়রানি ও আতঙ্কের শিকার হচ্ছেন। সরকারি আইন মেনে পরীক্ষা দেওয়া বা সঠিক উত্তর দিলেও দালালের মাধ্যমে অগ্রিম টাকা না দিলে পরীক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত ফেল করা হয়।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বায়োমেট্রিক টেস্ট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন রাজশাহী ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। যোগাযোগ না করলে পাশ করা সম্ভব নয় এমন সংশয় থেকে এক শিক্ষার্থী সুজুকি শোরুমের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা দিয়েছেন। তার পাশেই চিন্তিত মুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদমান। তিনি জানান, গতবার কোনো যোগাযোগ না করেই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, ফলে তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করা হয়েছিল। সাদমান বলেন, ‘বিআরটিএ এবং পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতির কোনো শেষ নেই। সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?’

অন্য একজন শিক্ষক জানান, লাইসেন্স রিনিউ ও ক্লাস উন্নয়নের জন্য আসা তিনি ৩,৫০০ থেকে ৪,০০০ টাকা অতিরিক্ত টেবিলে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘বিআরটিএতে ১০ জন অফিসার থাকলে প্রত্যেকের আলাদা দালাল রয়েছে। টেবিল ধরে ধরে ১,০০০ ও ৫০০ টাকা করে ভাগ হয়।’ অনুসন্ধানে জানা যায়, পদমর্যাদায় সামান্য অফিস সহকারী হলেও প্রশাসনিক ক্ষমতার মূল নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করছেন অফিস সহায়ক আলী এবং আনসার সদস্যসহ নিম্ন পদের কর্মচারীরা।

"বিআরটিএ এবং পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতির কোনো শেষ নেই। মানুষ পড়াশোনা শেষ করে এসে সামান্য ড্রাইভিং পরীক্ষার প্রিলিমিনারি পর্যায়ে এভাবে ইচ্ছাকৃত ফেলের শিকার হলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? এদের বিবেক বলতে কিছু নেই।"

দালালদের তালিকা অনুযায়ী, কার ও মোটরসাইকেলের যৌথ লাইসেন্সের জন্য ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা, প্রিলিমিনারি ও ভাইবায় ফিক্সড পাসের জন্য ৩ হাজার টাকা এবং পরীক্ষা ছাড়া সরাসরি লাইসেন্স বাবদ ৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া, ভারী লাইসেন্স ও রিনিউ প্রসেসে অতিরিক্ত ৩,৫০০ থেকে ৪,০০০ টাকা এবং ফিটনেস ও বায়োমেট্রিক অনুমোদনে গাড়ি ও ব্যক্তিভেদে ৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদমান (শিক্ষার্থী), কর্মকর্তা-কর্মচারী, দালালদের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ হাজার টাকা (বায়োমেট্রিক টেস্ট), ৩,৫০০-৪,০০০ টাকা (লাইসেন্স রিনিউ), ১০-১৫ হাজার টাকা (যৌথ লাইসেন্স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖