📌 সুন্দরবনে দস্যুতার পুনরাবৃত্তি ঘটলেও র্যাব-৬-এর কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অনিশ্চয়তা ও সরকার গঠনের পরও বাহিনীর সক্রিয়তা ফিরে আসেনি। বিশ্লেষকদের মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিকল্প ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে।
খুলনা অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও সুন্দরবনে নতুন করে দস্যু বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধির মধ্যেও র্যাব-৬-এর কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। একসময় অপরাধ দমনে প্রধান শক্তি হিসেবে বিবেচিত র্যাব-৬ এখন প্রায় নিষ্ক্রিয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অনিশ্চয়তা ও র্যাব বিলুপ্তির গুঞ্জনের কারণে সদস্যদের মধ্যে কর্মচঞ্চলতা কমে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুন্দরবনে কমপক্ষে ১৫টি দস্যু বাহিনীর পুনরুত্থান ঘটেছে
- 📌 র্যাব-৬-এর সদর দপ্তর খুলনার লবণচরায় অবস্থিত
- 📌 ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল
- 📌 গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে র্যাব-৬-এর তেমন কোনো অভিযান পরিচালিত হয়নি
- 📌 খুলনা বিভাগের নয় জেলা ও ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জ জেলা র্যাব-৬-এর দায়িত্বাধীন
📰 বিস্তারিত
সুন্দরবনের গহিন এলাকায় দস্যুদের নতুন করে অভয়ারণ্য গড়ে উঠেছে। দস্যুরা জেলেদের জিম্মি করে মোবাইল ফোনে টাকা দাবি করছে। দুবলার চর ফিশারম্যান গ্রুপের সভাপতি কামাল আহমেদ জানান, দস্যুরা বারবার তাদের পরিচিত নম্বর থেকে পরিবারের কাছে টাকা দাবি করছে। এসব নম্বর র্যাবের কাছে দেওয়া হলেও তারা দেখছি দেখব বলে জানিয়েছেন।
অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, র্যাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের সময় এসেছে। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার খুলনা জেলা সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মনে করেন, র্যাবের সংস্কার প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘গুম-খুনের সঙ্গে জড়িত সদস্যদের কারণে বাহিনীটির অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছে।’
খুলনা বিভাগের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। দুই বছরে শতাধিক খুনের ঘটনা ঘটেছে। আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণে ছয় সন্ত্রাসী বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। পুলিশ নিয়মিত কয়েকজন কর্মীকে গ্রেফতার করলেও বাহিনীপ্রধানরা অধরা রয়েছেন।
‘গণ-অভ্যুত্থানের পর একটি ক্রুশিয়াল টাইম আমরা পার করেছি। সেসময় বিভিন্ন ধরনের সংকট আমাদের সামনে ছিল। তবে আমরা কখনোই বসেছিলাম না। ছয় মাসে আমরা প্রায় ৫৭০টি অভিযান পরিচালনা করেছি। এসব অভিযানে ৫৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিভাগ ও সুন্দরবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (বিভাগ), ১৫ (দস্যু বাহিনী), ৫৭০ (অভিযান), ৫৭২ (গ্রেফতার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!