📌 গুলশানের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমিতে যৌথ উদ্যোগে ১৯ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণের প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এশিউর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ডিজাইন নামের প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. শেখ সাদী বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত
ঢাকা শহরের অভিজাত এলাকা গুলশানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমিতে যৌথ উদ্যোগে অভিজাত আবাসিক ভবন নির্মাণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা ও বিরোধিতার মুখে পড়েছে। গুলশান-২-এর ৫৫ নম্বর সড়কে অবস্থিত এই জমিতে ৫১ শতাংশ মালিকানা থাকবে ওয়াসার এবং বাকি ৪৯ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটির। প্রস্তাবটি পর্যালোচনার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হলেও বিরোধিতার কারণে তা কার্যকর হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুলশানের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমিতে যৌথ উদ্যোগে ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে এশিউর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ডিজাইন
- 📌 প্রস্তাবিত ভবনের উচ্চতা হবে ১৯ তলা এবং মোট দেড় শতাধিক ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা
- 📌 প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৪ হাজার ৭০০ বর্গফুটের বেশি, যার দাম দাঁড়াবে প্রায় ১১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা
- 📌 প্রস্তাবিত প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা এবং নির্মাণকাল ধরা হয়েছে পাঁচ বছর
- 📌 এশিউর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান মো. শেখ সাদী কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন
📰 বিস্তারিত
গুলশান এলাকায় অবস্থিত ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমিতে যৌথ উদ্যোগে ভবন নির্মাণের প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পে ওয়াসার অংশীদারিত্ব থাকলেও বিরোধিতার কারণে কমিটির মতামত গ্রহণ সম্ভব হয়নি। সূত্র জানায়, গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় সরকারি জমিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ঢাকা ওয়াসার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গুলশানের জমিটির ওপর একটি গোষ্ঠীর চোখ পড়েছে এবং তারাই এই তৎপরতার নেপথ্যে রয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সরকারি সম্পদকে ব্যবসায়িক সুযোগ হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি স্বচ্ছ তদন্তের দাবি রাখে।
জমিটি রাজউক থেকে ২০০৯ সালে ৯৯ বছরের জন্য ইজারা নেয় ঢাকা ওয়াসা। ইজারা চুক্তি অনুযায়ী, রাজউক জমিটি আবাসনের উদ্দেশ্যে ২৮ হাজার ৮৪৪ টাকায় ইজারা দেয়। জমিটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানা যায়, এটি উঁচু সীমানাপ্রাচীরে ঘেরা এবং ভেতরে রয়েছে বড় বড় গাছ ও ইট বসানো হাঁটার পথ।
এশিউর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ডিজাইন নামের প্রতিষ্ঠানটি প্রস্তাবিত ভবনটিকে ‘আইকন ক্যাটাগরি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা এবং নির্মাণকাল ধরা হয়েছে পাঁচ বছর। আবাসন ব্যবসায়ীরা জানান, গুলশানে ফ্ল্যাটের দাম প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। তবে রাজউকের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে দাম ধরা হয়েছে বর্গফুটপ্রতি ১৬ হাজার থেকে ১৭ হাজার ৫০০ টাকা।
"গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় সরকারি জমিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি সম্পদকে ব্যবসায়িক সুযোগ হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি স্বচ্ছ তদন্তের দাবি রাখে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলশান-২, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শেখ সাদী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৪ কাঠা, ১৯ তলা, ৪০০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!