📌 নাটোরের গুরুদাসপুরে ধানুড়া বালিকা বিদ্যালয়ের দুটি ভবন ভেঙে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস ধরে ভবন দুটি ভাঙা হয়েছে এবং ইট-রড বিক্রি করে প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধানুড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের দুটি ভবন ভেঙে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ অনুসারে, প্রায় দুই মাস ধরে নতুন ও পুরোনো ভবন দুটি ভাঙা হয়েছে এবং ইট-রডসহ অন্যান্য উপকরণ বিক্রি করে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন এখন নড়েচড়ে বসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের দুটি ভবন ভেঙে বিক্রির অভিযোগ
- 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস ধরে ভবন দুটি ভাঙা হয়েছে
- 📌 ইট-রড বিক্রি করে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি রনি আহম্মেদ জানান, ভবন ভেঙে বিক্রির বিষয়টি তাঁর জানা নেই
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ প্রধান শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব করে চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান
📰 বিস্তারিত
ধানুড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের দুটি ভবন ভেঙে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ অনুসারে, প্রায় দুই মাস ধরে নতুন ও পুরোনো ভবন দুটি ভাঙা হয়েছে। ইট-রডসহ অন্যান্য উপকরণ বিক্রি করে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদ্যালয়ের জায়গা সংকটের কারণে এমনটি করা হয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক দাবি করেছেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতি রনি আহম্মেদ জানান, তিনি দেড়-দুই মাস ধরে দায়িত্বে রয়েছেন। ভবন ভেঙে বিক্রির বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি দায়দায়িত্ব প্রধান শিক্ষকের বলে জানান। সাবেক সভাপতি মোতালেব হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য জমির মাপজোখ বিষয়ে মিটিং হয়েছিল। তবে ভবন ভাঙা এবং নীতিমালা প্রণয়ন, কত টাকায় তা বিক্রি হয়েছে, সে টাকা কোথায় কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা প্রধান শিক্ষক বলতে পারবেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী মিলন মিয়া বলেন, নারীশিক্ষা প্রসারের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে উপজেলা পরিষদের সুপারিশে জাইকার অর্থায়নে ২২ লাখ টাকায় ভবনটি তৈরি করা হয়েছিল। সম্প্রতি জানতে পারি ওই ভবনটি ভেঙে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়নি।
"স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের সহায়তায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে চারতলা ভিতবিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন এ ভবনটির অনুমোদন পাওয়ায় আগের একতলা ভবনসহ পুরোনো ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। বিদ্যালয়ের জায়গা সংকটের কারণে এটি করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। সময়স্বল্পতার কারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে পারেননি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানুড়া, গুরুদাসপুর, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫-৬ লাখ টাকা, ২২ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!