📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চেক জালিয়াতিতে দণ্ডিত পুলিশ সদস্য মোতালেবের ফোনে বাদীর প্রতি হুমকি

চেক জালিয়াতিতে দণ্ডিত পুলিশ সদস্য মোতালেবের ফোনে বাদীর প্রতি হুমকি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ডিত পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক মোতালেব হোসেন মামলার বাদী আয়নাল হককে ফোনে হুমকি দিয়েছেন। রাজশাহীর মোহনপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে আত্মগোপনে থাকা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোতালেব হোসেন মামলার বাদী আয়নাল হককে ফোনে হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি রাজশাহীর মোহনপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ডিত পুলিশ সদস্য মোতালেব হোসেন মামলার বাদীকে ফোনে হুমকি দিয়েছেন
  • 📌 রাজশাহীর মোহনপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে
  • 📌 মামলার বাদী আয়নাল হক জানান, মোতালেব তাঁকে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর হুমকি দেন
  • 📌 মোতালেবের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির অভিযোগে এক বছরের কারাদণ্ড ও সাড়ে সাত লাখ টাকা জরিমানা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে আত্মগোপনে থাকা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক মোতালেব হোসেন মামলার বাদী আয়নাল হকের বিরুদ্ধে ফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি রাজশাহীর মোহনপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ফোনে হুমকির অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তদন্ত করে বিষয়টির বিস্তারিত জানা যাবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাদী আয়নাল হক জানান, তিনি মোতালেবকে সাড়ে সাত লাখ টাকা ধার দিয়েছিলেন। এর বিপরীতে মোতালেব তাঁকে একটি চেক দেন। ২০২২ সালের ১৮ মে চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে আয়নাল হককে জানানো হয়, হিসাবে কোনো টাকা নেই। পরে টাকা ফেরত চেয়ে না পাওয়ায় তিনি চেক জালিয়াতির মামলা করেন। আয়নাল হকের দাবি, মামলায় সাজা হলেও আড়াই বছরেও মোতালেব গ্রেপ্তার হননি। এ সময় তিনি দেশের বিভিন্ন থানায় চাকরি করেছেন।

আয়নাল হক আরও জানান, মামলার রায়ের সময় মোতালেব রাজধানীর গুলশান থানায় কর্মরত ছিলেন। পরে তিনি নরসিংদী, গোপালগঞ্জ হয়ে হবিগঞ্জে যান। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন থানায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌঁছানোর আগেই মোতালেব সেখান থেকে বদলি হয়ে যেতেন। ফলে পরোয়ানা রাজশাহীতে ফেরত পাঠানো হতো। পরে রাজশাহী থেকে সেটি মোতালেবের কর্মস্থলের জেলায় পাঠানো হলেও ততক্ষণে তিনি অন্য জেলায় চলে যেতেন। আয়নাল হকের অভিযোগ, এভাবে আড়াই বছর কেটে গেছে। সবশেষ হবিগঞ্জ থেকে আত্মগোপন করেছেন এই পুলিশ সদস্য।

"মোতালেব তাঁকে বলেছেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও কেউ তাঁর কিছু করতে পারবে না। কিছুদিন পর এসে তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। তাঁর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হবে বলেও হুমকি দেন মোতালেব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহীর মোহনপুর থানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোতালেব হোসেন (এএসআই), আয়নাল হক (বাদী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাড়ে সাত লাখ টাকা, এক বছর কারাদণ্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖