📌 ফ্যাসিবাদী সরকারের দুর্নীতির কারণে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনরায় উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে
ফ্যাসিবাদী সরকারের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে স্থগিত থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়
- 📌 সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলসহ মোট ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠাতে পারবে
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়
- 📌 মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন চুক্তি হবে
- 📌 বিনামূল্যে ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর সুযোগ মিলেছে বাংলাদেশের
📰 বিস্তারিত
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়কালে দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। তবে বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় তা পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় এ তথ্য প্রকাশ করে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের দায়িত্ব এককভাবে মালয়েশিয়া সরকারের ওপর ন্যস্ত করা হয়। ওই সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকায়, মালয়েশিয়া সরকারের শর্ত পরিবর্তন করা বাংলাদেশের পক্ষে সহজ ছিল না। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশের স্বার্থ বিবেচনা করে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
মন্ত্রণালয়ের দাবি, মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনার ফলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে। এর আওতায় মালয়েশিয়া সরকার তাদের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিকে সরাসরি নির্বাচিত করেছে। এছাড়া আরও ৩১২টি এজেন্সিকে ‘অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি’ হিসেবে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলও এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। ফলে মোট ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সি মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারবে।
মন্ত্রণালয় জানায়, মালয়েশিয়া সরকারের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কর্মী সরবরাহকারী প্রধান পাঁচটি দেশের মধ্যে নেপাল ও বাংলাদেশের জন্য ২৫টি করে এবং ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের জন্য ১০টি করে রিক্রুটিং এজেন্সির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বা ‘জিরো কস্ট’-এ নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।
"মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়ার ফলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩৮টি এজেন্সি, ১০ হাজার কর্মী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!