📌 পটুয়াখালীর বাউফলে কথিত ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি এনজিও গ্রাহকদের কাছ থেকে সঞ্চয় ও বিমার নামে কয়েক লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। কয়েকশ গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের না হওয়ায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
পটুয়াখালীর বাউফলে কথিত ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি এনজিও গ্রাহকদের কাছ থেকে সঞ্চয় ও বিমার নামে টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কয়েকশ ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয়দের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় হিসেবে আদায় করত। রোববার নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কার্যালয় ছেড়ে চলে যাওয়ায় গ্রাহকরা হতাশ হয়ে পড়েন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কথিত এনজিও ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’র বিরুদ্ধে কয়েকশ গ্রাহকের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
- 📌 প্রতিষ্ঠানটি দুই বছর মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করত
- 📌 ভুক্তভোগীদের মধ্যে আব্দুল আজিজ ও রাবেয়া বেগমসহ অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হন
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় ছিল মুসলিমপাড়া মোড় এলাকায় জালাল আহমেদের বাসা ভাড়া নিয়ে
- 📌 থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, অভিযোগ দায়ের না হওয়ায় এখনই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়
📰 বিস্তারিত
বাউফল পৌরসভার মুসলিমপাড়া মোড় এলাকায় জালাল আহমেদের বাসা ভাড়া নিয়ে সম্প্রতি কার্যক্রম শুরু করে কথিত প্রতিষ্ঠানটি। দুই বছর মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় হিসেবে আদায় করা হয়। অনেকেই ঋণের আশায় বিমার টাকাও জমা দেন।
চার লাখ টাকা ঋণের আশায় দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা জমা দেওয়া আব্দুল আজিজ বলেন, প্রতিষ্ঠানের একজন মাঠকর্মী তাঁকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঞ্চয়ের টাকা জমা দিতে বলেছিলেন। রোববার ঋণ নিতে এসে তিনি দেখেন, কার্যালয়ে কেউ নেই। আরেক গ্রাহক রাবেয়া বেগম বলেন, এক লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে এক হাজার টাকা বিমা ও ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় নেওয়া হয়। ব্যাটারিচালিত গাড়ি নষ্ট হওয়ায় নতুন গাড়ি কেনার জন্য তিনি ওই ঋণের আশায় টাকা জমা দিয়েছিলেন।
অফিসের জন্য বাসা ভাড়া দেওয়া জালাল আহমেদের স্ত্রী সৈয়দা শৈলী বেগম বলেন, শনিবার (১৫ আগস্ট) এক ব্যক্তি মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাড়া ও দুই লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়ার কথা বলে বাসা ভাড়া নেন। গতকাল রোববার অফিস উদ্বোধনের কথা থাকলেও দুপুর ১২টার আগেই তাঁরা বাসা ছেড়ে চলে যান। তাঁদের কাছ থেকে কোনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও নেওয়া হয়নি।
"বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। তবে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালীর বাউফল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল আজিজ, রাবেয়া বেগম, সৈয়দা শৈলী বেগম, সিরাজুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ থেকে ৩০, ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার, ৩৭ হাজার, ২০ হাজার, ১২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!