📌 রংপুরের আলোচিত চার হত্যা মামলার দুই আসামির ডোপ টেস্টের জন্য কারাগার থেকেই প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করেছে মহানগর ডিবি পুলিশ। আদালতের নির্দেশে নিরাপত্তাজনিত কারণে কারাগারের ভেতরেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়
রংপুর জেলা কারাগার থেকে আলোচিত চার হত্যা মামলার দুই আসামির ডোপ টেস্টের জন্য প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান পুলিশের একটি দল। আসামিদের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের কারাগারের বাইরে না এনে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাব টেকনোলজিস্টদের কারাগারে নিয়ে গিয়ে ইউরিন স্পেসিমেন সংগ্রহ করা হয় বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক জিন্নাত আলী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে দুই আসামির
- 📌 আদালতের নির্দেশে কারাগারের ভেতরেই প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হয়
- 📌 আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন
- 📌 ঘটনার রাতে আসামিরা আট থেকে নয়টি ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করেছিলেন বলে জানিয়েছেন
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি খুবই চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর বলে মত পুলিশের
📰 বিস্তারিত
রংপুরের আলোচিত চার হত্যা মামলার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের জন্য কারাগার থেকেই প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করেছে মহানগর ডিবি পুলিশ। আদালতের নির্দেশে আসামিদের কারাগারের বাইরে না এনে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাব টেকনোলজিস্টদের কারাগারে নিয়ে গিয়ে ইউরিন স্পেসিমেন সংগ্রহ করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আদালত ডোপ টেস্টের আবেদন মঞ্জুর করার পর আসামিদের নমুনা সংগ্রহের জন্য কারাগারে যাওয়া হয়েছে।’
মহানগর ডিবির উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর হওয়ায় আসামিদের বাইরে নিয়ে আসা হলে যে কোনো সময় মবের সৃষ্টি হতে পারে। তাই ঝুঁকি এড়াতে কারাগারের ভেতরেই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এই মামলায় আসামিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কারাগারের ভেতরেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে।’
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। তাদের জবানবন্দি অনুযায়ী, ঘটনার রাতে তারা আট থেকে নয়টি ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করেছিলেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও আসামিদের বক্তব্য যাচাই-বাছাই করেই ডোপ টেস্টের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। ইতোমধ্যে মামলার তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
‘আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। এ কারণে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের টেকনোলজিস্টদের কারাগারে নিয়ে গিয়ে ইউরিন স্পেসিমেন সংগ্রহ করা হয়েছে।’ — মহানগর ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, জিন্নাত আলী, সনাতন চক্রবর্তী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন আসামি, ৩০ আগস্ট, ১৬৪ ধারা, ৮-৯টি ইয়াবা ট্যাবলেট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!