📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের অংশগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা। দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন চাওয়া ও স্বাধীন মতামতের অভাবের অভিযোগ তুলে স্থায়ী কমিটির বৈঠক বর্জনের সিদ্ধান্ত
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত ইসলামীর অংশগ্রহণ স্থগিত করেছে। দলটির সাংসদীয় দলের মুখপাত্র ড. নাজিবুর রহমান রোববার (৩০ আগস্ট) এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি অভিযোগ করেন, প্রস্তাবিত বিলটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনের পরিপন্থি এবং পুরোনো আইনকে দুর্বল করার উদ্যোগ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের অংশগ্রহণ স্থগিত
- 📌 স্থায়ী কমিটিকে দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 প্রস্তাবিত বিলকে ‘বিতর্কিত ও কালো আইন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ড. নাজিবুর রহমান
- 📌 সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াত
📰 বিস্তারিত
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত ইসলামীর অংশগ্রহণ স্থগিত করেছে। দলটির সাংসদীয় দলের মুখপাত্র ড. নাজিবুর রহমান রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম-সংক্রান্ত দুটি বিল পর্যালোচনা নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি অভিযোগ করেন, প্রস্তাবিত বিলটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনের পরিপন্থি এবং পুরোনো আইনকে দুর্বল করার উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
ড. নাজিবুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মানবাধিকারবিষয়ক আইন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি দাবি করেন, এখন যে বিলটি আনা হয়েছে তা মানবাধিকার সুরক্ষার কাঠামোকে আরও দুর্বল করবে। তিনি বলেন, ‘স্থায়ী কমিটিকে মাত্র দুই দিনের মধ্যে বিলের বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ফলে কমিটিগুলোকে স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত বিলটি একটি ‘বিতর্কিত ও কালো আইন’। এর মাধ্যমে জনগণের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জানান, যেহেতু সংশ্লিষ্ট কমিটিতে স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই, তাই দলটি এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে থাকতে চায় না। এ কারণেই সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াত।
"স্থায়ী কমিটিকে মাত্র দুই দিনের মধ্যে বিলের বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ফলে কমিটিগুলোকে স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি। প্রস্তাবিত বিলটি একটি ‘বিতর্কিত ও কালো আইন’। এর মাধ্যমে জনগণের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. নাজিবুর রহমান (জামায়াত ইসলামীর সাংসদীয় দলের মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!