📌 অস্ত্র বিক্রির নামে অনলাইনে প্রতারণা চালিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে নড়াইল থেকে তাদের আটক করা হয়
ঢাকা: অনলাইনে অস্ত্র বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ। বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অনলাইনে অস্ত্র বিক্রির বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল দুইজন
- 📌 গ্রেফতার দুইজন: মো. আকাশ শেখ (২৩) ও রুমান শেখ (২৪)
- 📌 অভিযান চালানো হয় নড়াইল জেলার সদর থানাধীন ধোন্দা ও রঘুনাথপুর এলাকায়
- 📌 গ্রেফতারের সময় চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ইউনিটের তদন্তে উঠে আসে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্র বিক্রির বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছিল। গত ২৩ আগস্ট সাইবার অপরাধ পর্যবেক্ষণকালে ‘সোনালী পিস্তল হাউজ বেনাপোল’ নামের একটি ফেসবুক পেজে অস্ত্র বিক্রির বিজ্ঞাপন শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পেজটির অ্যাডমিনদের অবস্থান নির্ণয় করা হয়।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে নড়াইল জেলার সদর থানাধীন ধোন্দা ও রঘুনাথপুর এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। নিয়াজ মেহেদী জানান, ‘গ্রেফতার দুইজন ক্রেতাদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে তাদের ব্লক করে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল।’
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
‘গ্রেফতার মো. আকাশ শেখ (২৩) ও রুমান শেখ (২৪) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্র বিক্রির বিজ্ঞাপন ও ভিডিও প্রচার করে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করত। ক্রেতার কাছ থেকে অগ্রিম টাকা পাওয়ার পরই তাকে ব্লক করে দিয়ে তারা প্রতারণা করে আসছিল।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নড়াইল জেলা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিয়াজ মেহেদী, মো. আকাশ শেখ, রুমান শেখ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (গ্রেফতার), ৪ (জব্দকৃত মোবাইল ফোন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!