📌 নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার নেতৃত্বে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে এক স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রধান আসামি পলাতক থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তারে তৎপর
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার নেতৃত্বে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে এক স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক বকুল মিয়া (৫০) প্রধান আসামি হিসেবে পলাতক
- 📌 ঘটনার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়া (৩৬) গ্রেপ্তার, আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ
- 📌 ভুক্তভোগী স্থানীয় স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর প্রথম ধর্ষণের শিকার
- 📌 ২০২৫ সালের মার্চ-এপ্রিলে একাধিক ব্যক্তির দ্বারা পুনরায় ধর্ষণের শিকার হন তিনি
- 📌 চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত নিয়মিত ধর্ষণের শিকার হন ভুক্তভোগী
- 📌 গত ১ আগস্ট ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন
- 📌 ১৮ আগস্ট চিকিৎসায় অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন ভুক্তভোগী
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার নেতৃত্বে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে এক স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তিনি ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর প্রথমবারের মতো বকুল মিয়ার দ্বারা ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তাকে বারবার হুমকি দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুল মিয়ার সহযোগী এক নারী তাকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুল মিয়ার নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত নিয়মিতভাবে তাকে ধর্ষণের শিকার হতে হয়। গত ১ আগস্ট সামাজিক মাধ্যমে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন।
১৮ আগস্ট ভুক্তভোগীকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করানো হলে তিনি ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বকুল মিয়াসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।
"ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বকুল মিয়া ও আবু মিয়া আমাকে বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেত। তখন আমি কিছু বুঝতাম না। তারা অন্য মানুষকে দিয়েও আমাকে ধর্ষণ করিয়েছে। আমি যে বলে দিয়েছি, সে জন্য আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি এসবের কঠিন বিচার চাই।"
কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়ে জানান, আজ রাতেই বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওসি মো. তরিকুল ইসলাম জানান, দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেন্দুয়া, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বকুল মিয়া (৫০), প্রধান আসামি
- 👥 ভুক্তভোগী: স্থানীয় স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন আসামি, ৬ মাস অন্তঃসত্ত্বা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!