📌 প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি উগ্রবাদ প্রতিরোধে রাজনৈতিক ঐকমত্য গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকারকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক
- 📌 জামায়াত-শিবিরকে উগ্রবাদী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে তাদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান
- 📌 জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র পরিচালনার অভিযোগ তুলেছেন তিনি
- 📌 জামায়াত ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখলের চেষ্টার অভিযোগ করেছেন নুরুল হক
- 📌 জামায়াত নেতা আমির হামজার বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি
📰 বিস্তারিত
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা সোহানুর রহমানকে দেখতে যান। হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। নির্বাচিত সরকারকে বিষয়টি নিয়ে পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
নুরুল হক বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে সংঘটিত গণহত্যা, লুটপাট ও গণধর্ষণের জন্য জামায়াত-শিবিরকেও নিষিদ্ধ করা উচিত। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ না করলে দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে এবং বাংলাদেশের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
জাতিসংঘের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, আল-কায়েদা বাংলাদেশকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে এবং জামায়াত-শিবিরের মাধ্যমে তারা তাদের কর্মকাণ্ড চালাতে পারে। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবির অস্ত্র পরিচালনাকারী ক্যাডার তৈরি করে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জামায়াত-শিবির দুর্বল থাকলেও গত ছয় মাসে তারা শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। তিনি উগ্রবাদ প্রতিরোধে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
নুরুল হক আরও বলেন, জামায়াত-শিবির ও আওয়ামী লীগ উভয়ই ফ্যাসিস্ট প্রকৃতির। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখলে নিতে চায় এবং ক্ষমতার ভাগ-বাঁটোয়ারা করতে চায়। তিনি জামায়াত নেতা আমির হামজার বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সমালোচনা করেন এবং জামায়াতের নাম থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি বাদ দেওয়ার আহ্বান জানান।
"প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে হবে। উগ্রবাদ প্রতিরোধে নির্বাচিত সরকারকে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: নুরুল হক, সোহানুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ছয় মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!