📌 জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) কর্মকর্তা পরিচয়ে এক কলেজছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সাড়ে দশ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও ধর্ষণের অভিযোগে গঙ্গাচড়া উপজেলার এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত লিয়ন মিয়া ওরফে সম্রাট হোসেন সামিমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) কর্মকর্তা পরিচয়ে এক কলেজছাত্রীকে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ধর্ষণ ও সাড়ে দশ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গঙ্গাচড়া উপজেলার এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত লিয়ন মিয়া ওরফে সম্রাট হোসেন সামিম (৩০) নামে ওই যুবকের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গঙ্গাচড়া উপজেলার সয়রাবাড়ী ফুলবাড়ীর চওড়া এলাকায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযুক্ত যুবক নিজেকে এনএসআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে কলেজছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন
- 📌 বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পদোন্নতির কথা বলে তরুণীর পরিবারের কাছ থেকে সাড়ে দশ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে
- 📌 গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় অভিযুক্ত যুবক তরুণীর ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ করেন
- 📌 ঘটনার পর উত্তমমাধ্যম দেওয়া হলে পুলিশ যুবককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়
- 📌 অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গঙ্গাচড়া উপজেলার সয়রাবাড়ী ফুলবাড়ীর চওড়া এলাকার বাসিন্দা লিয়ন মিয়া ওরফে সম্রাট হোসেন সামিম নামে এক যুবক নিজেকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রায় এক বছর আগে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ শুরু হওয়ার পর তিনি নিজেকে এনএসআই কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। পরে তিনি তরুণীর পরিবারের কাছ থেকে সাড়ে দশ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অভিযুক্ত যুবক তরুণীর বাড়িতে গিয়ে তার ঘরে প্রবেশ করেন এবং তাকে ধর্ষণ করেন। তরুণীর চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা তাকে আটক করে উত্তমমাধ্যম দেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়ার পর থানায় নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, অভিযুক্ত তাকে বিয়ের কথা বলে একটি অ্যাফিডেভিটের কপি স্বাক্ষর করতে বলেন। তিনি বলেন, ‘সে জানায় তার অফিস থেকে এখনো বিয়ের অনুমতি পাওয়া যায়নি। বিষয়টি প্রকাশ হলে তার চাকরি চলে যেতে পারে। পরে সে বলে পদোন্নতি হলে তারা বিষয়টি স্বজনদের জানাবেন। এ জন্য সাড়ে দশ লাখ টাকা লাগবে।’ তরুণীর অভিযোগ, অভিযুক্ত তার মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে আসেন এবং তার বাবা টাকা দিতে বাধ্য হন। পরে জানতে পারেন অভিযুক্ত একজন প্রতারক।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সবুর জানান, অভিযুক্তের কাছ থেকে একটি ভুয়া অ্যাফিডেভিট ও এনএসআইয়ের ভুয়া কার্ড পাওয়া গেছে। তার আগেও তিনি স্ত্রী থাকার তথ্য পাওয়া গেছে এবং আরও কয়েকজনের সঙ্গে একইভাবে প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
"ছেলেটি নিজেকে এনএসআই কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়ায় আমরা বিশ্বাস করেছিলাম। মেয়েকে বিয়ে করবে বলে টাকা দিয়েছি। পরে জানতে পারি, তার পরিচয় ভুয়া। আমরা প্রতারণার শিকার হয়েছি।" — ভুক্তভোগীর বাবা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গঙ্গাচড়া উপজেলা, সয়রাবাড়ী ফুলবাড়ী, চওড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিয়ন মিয়া ওরফে সম্রাট হোসেন সামিম (৩০), ভুক্তভোগী তরুণী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাড়ে ১০ লাখ টাকা, ৩০ বছর, সকাল সাড়ে ৮টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!