📌 সাতক্ষীরার শ্যামনগর থেকে দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নকিপুর জমিদারবাড়ির ঐতিহাসিক প্রাসাদ ধ্বংসের পথে। প্রাসাদের ২১২ ফুট দীর্ঘ অংশের অধিকাংশ দেয়াল ধসে পড়েছে, বড় অংশ আগাছায় ঢাকা। স্থানীয় বাসিন্দা নোয়েন হোসেন বলেছেন, প্রাসাদটি ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুরে অবস্থিত ঐতিহাসিক জমিদারবাড়ির প্রাসাদ ধ্বংসের পথে। একসময় এই জমিদারবাড়িতে ছিল তিনতলা বিশাল প্রাসাদ, সারি সারি স্তম্ভ, খিলান এবং কারুকাজে সজ্জিত দেয়াল। কিন্তু বর্তমানে প্রাসাদের বড় অংশ ধসে পড়েছে এবং আগাছায় ঢাকা পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরার শ্যামনগর সদর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নকিপুর জমিদারবাড়ির প্রাসাদ ধ্বংসের পথে
- 📌 প্রাসাদের ২১২ ফুট দীর্ঘ অংশের অধিকাংশ দেয়াল ধসে পড়েছে, পশ্চিম অংশের কিছু স্তম্ভ ও খিলান এখনো টিকে আছে
- 📌 প্রাসাদের চারপাশ আগাছা, ঘাস ও পলেস্তারায় ঢাকা পড়েছে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা নোয়েন হোসেন (২৫) বলেছেন, প্রাসাদটি ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুরে অবস্থিত ঐতিহাসিক জমিদারবাড়ির প্রাসাদ বর্তমানে ধ্বংসের পথে। একসময় এই জমিদারবাড়িতে ছিল তিনতলা বিশাল প্রাসাদ, সারি সারি স্তম্ভ, খিলান এবং কারুকাজে সজ্জিত দেয়াল। প্রাসাদের সামনে ছিল বিস্তীর্ণ মাঠ, পাশে বড় পুকুর, পাকা ঘাট, নহবতখানা এবং জোড়া শিবমন্দির। কিন্তু বর্তমানে প্রাসাদের বড় অংশ ধসে পড়েছে এবং আগাছায় ঢাকা পড়েছে।
গত সোমবার সকালে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, প্রাসাদের পশ্চিম অংশের কিছু স্তম্ভ ও খিলান এখনো টিকে আছে। কিন্তু পূর্ব পাশের দীর্ঘ ভবনটির অধিকাংশ দেয়াল ধসে পড়েছে। প্রাসাদের ২১২ ফুট দীর্ঘ অংশের চারপাশ আগাছা, ঘাস ও পলেস্তারায় ঢাকা পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা নোয়েন হোসেন (২৫) বলেছেন, তিনি ছোটবেলা থেকেই এই প্রাসাদের ধ্বংসের দৃশ্য দেখে আসছেন।
প্রাসাদের পাশের বাসিন্দা নোয়েন হোসেন বলেছেন, “অন্তত ২০ বছর ধরে এই প্রাসাদটি অবহেলায় পড়ে আছে। কোনো ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ বা সংস্কার করা হয়নি। এভাবে চলতে থাকলে প্রাসাদটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে।”
"অন্তত ২০ বছর ধরে এই প্রাসাদটি অবহেলায় পড়ে আছে। কোনো ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ বা সংস্কার করা হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নকিপুর, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নোয়েন হোসেন (২৫)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১২ ফুট (প্রাসাদের দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!