📌 জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার ঝুঁকি মোকাবিলায় নতুন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘আধিপত্যবিরোধী নাগরিক সমাজ’ গঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত এই প্ল্যাটফর্ম দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সংরক্ষণের লক্ষ্যে কাজ করবে
জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ‘আধিপত্যবিরোধী নাগরিক সমাজ’ নামের নতুন একটি নাগরিক প্ল্যাটফর্ম গঠিত হয়েছে। গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্ল্যাটফর্মটির ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নতুন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘আধিপত্যবিরোধী নাগরিক সমাজ’ গঠিত
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম, সাবেক কূটনীতিক সাকিব আলী প্রমুখ
- 📌 প্ল্যাটফর্মটির লক্ষ্য দেশের স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বিশ্বাসী সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একত্রিত করা
- 📌 আলোচনায় উঠে আসে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধের বিষয়টি
- 📌 সাবেক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম দেশের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জনগণ ও রাষ্ট্রকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে ‘আধিপত্যবিরোধী নাগরিক সমাজ’ নামের নতুন একটি নাগরিক প্ল্যাটফর্ম গঠিত হয়েছে। গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্ল্যাটফর্মটির ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী। তিনি বলেন, জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও পরিবর্তিত আঞ্চলিক ভূরাজনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য তৈরি করা প্রয়োজন। স্বাধীনতা, জাতীয় মর্যাদা, গণতান্ত্রিক আত্মশাসন ও শান্তিপূর্ণ আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বিশ্বাসী সব শ্রেণি-পেশার নাগরিককে এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্ল্যাটফর্মটির ঘোষণাপত্রে বলা হয়, আধিপত্যবাদের ঝুঁকি সম্পর্কে জনগণ ও রাষ্ট্রকে সচেতন করা এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সম্মিলিত প্রয়াস গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ‘নতুন বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ রাষ্ট্রে সার্বভৌমত্ব কৌশল’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক কূটনীতিক সাকিব আলী।
আলোচনায় মানবাধিকারকর্মী ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলন একদিকে শেখ হাসিনা ও তাঁর দলের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে ছিল, অন্যদিকে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধেও ছিল। ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া অব্যাহত রাখলে বাংলাদেশ সম্পর্কে দেশটির আধিপত্যবাদী অবস্থান বদলায়নি—এমনটাই প্রমাণিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
"জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলন একদিকে শেখ হাসিনা ও তাঁর দলের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে ছিল, অন্যদিকে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধেও ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাত সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!