📌 নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্বরে ইপিআই টেকনিশিয়ান আশ্রাফুল ইসলামের গোয়ালঘর গোবর ও গো-মূত্রের দুর্গন্ধে রোগী ও কর্মচারীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলেছে। কর্মকর্তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্বরে গোয়ালঘর স্থাপনের কারণে রোগী ও কর্মচারীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। ইপিআই টেকনিশিয়ান আশ্রাফুল ইসলাম কয়েসের গোয়ালঘর থেকে ছড়িয়ে পড়া গোবর ও গো-মূত্রের দুর্গন্ধে হাসপাতালের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্বরে ইপিআই টেকনিশিয়ান আশ্রাফুল ইসলামের গোয়ালঘরে ছয়টি গরু পালন করা হচ্ছে, যা হাসপাতালের পরিবেশকে দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে ব্যর্থ করছে
- 📌 গোবর ও গো-মূত্রের দুর্গন্ধে কর্মচারীরা ভোগান্তি ভোগছেন এবং মশা-মাছির সংখ্যা বাড়ছে, যা রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে
- 📌 আশ্রাফুল ইসলাম বলেছেন, ‘দুই-তিন দিনের মধ্যে গরুগুলো বিক্রি করে দেব’
- 📌 উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আরিফিন আজিম জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- 📌 খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অলিদুজ্জামান বলেছেন, সরকারি জায়গা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্বরে গোয়ালঘর স্থাপনের কারণে হাসপাতালের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়েছে। ইপিআই টেকনিশিয়ান আশ্রাফুল ইসলাম কয়েস গত ছয় মাস ধরে হাসপাতাল চত্বরের পূর্ব পাশে পুরোনো সরকারি কোয়ার্টারসংলগ্ন এলাকায় ছয়টি গরু পালন করছেন। গরু রাখার জন্য সেখানে টিনের গোয়ালঘর বানানো হয়েছে এবং একটি অংশ বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল চত্বরের ভেতরেই গরুগুলোকে ঘাস খাওয়ানো হয়।
গোবর ও গো-মূত্রের দুর্গন্ধে হাসপাতালের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়েছে। কর্মচারীরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না। স্থানীয় বাসিন্দা মোশারফ হোসেন বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত থাকা উচিত। এভাবে হাসপাতাল চত্বরের ভেতরে স্থায়ীভাবে গরু পালন করা ঠিক নয়। গো-মূত্র ও গোবরের দুর্গন্ধে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। মশা, মাছি বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে মশা, মাছি বাহিত রোগ বাড়ার ঝুঁকি।’
আশ্রাফুল ইসলাম কয়েস অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘হাওরে দ্রুত পানি চলে আসায় গরুগুলো রাখার অন্য কোনো জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই পরিত্যক্ত কোয়ার্টারের পাশে চালা করে গরুগুলো রাখা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুই-তিন দিনের মধ্যে গরুগুলো বিক্রি করে দেব।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আরিফিন আজিম জানান, ‘যেদিকটায় গোয়ালঘর করা হয়েছে, ওই দিকটা হয়তো চোখে পড়ে না। তাই এত দিন খেয়াল করিনি।’ তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অলিদুজ্জামান বলেন, ‘সরকারি জায়গা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
"দুই-তিন দিনের মধ্যে গরুগুলো বিক্রি করে দেব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশ্রাফুল ইসলাম কয়েস, ডা. আরিফিন আজিম, মোশারফ হোসেন, অলিদুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ছয়টি গরু, ছয় মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!