📌 মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) স্বাগত জানালেও ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দলটি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি দাবি করেছে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়াকে স্বাগত জানালেও ২৫টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দলটির মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ডায়াস্পোরা বিষয়ক উপ-কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস শুধুমাত্র ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে এসব এজেন্সি নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও মানদণ্ড স্পষ্ট নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ায় এনসিপি স্বাগত জানিয়েছে
- 📌 এফডব্লিউসিএমএস শুধুমাত্র ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে
- 📌 নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও মানদণ্ড স্পষ্ট নয় বলে উল্লেখ করেন আসিফ মাহমুদ
- 📌 অতীতের সিন্ডিকেটের পুনরাবৃত্তি রোধে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি দাবি করেছেন দলটি
- 📌 সরকার নির্ধারিত ৭৯ হাজার টাকার বিপরীতে কর্মীদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়ার নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেশটির কাছে পাঠিয়েছিল। তবে সেই তালিকা থেকে মাত্র ২৫টি এজেন্সি নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও ভিত্তি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পরিষ্কার করা জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অতীতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ব্যাপক অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ছিল। সরকার নির্ধারিত ৭৯ হাজার টাকার বিপরীতে একজন কর্মীর কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে বিদেশে যাওয়ার আশায় অনেক কর্মী জমি-জমা বিক্রি, সহায়-সম্বল শেষ করা কিংবা ঋণ নিয়ে বিপুল অর্থের বোঝা বহন করতে বাধ্য হন।
এনসিপি মনে করে, নতুন করে সীমিতসংখ্যক এজেন্সিকে কেন্দ্র করে একই ধরনের ব্যবস্থা তৈরি হলে এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবেন কর্মপ্রত্যাশী সাধারণ মানুষ। বিদেশগামী কর্মীদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুযোগ বন্ধ করতে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে দলটির পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়।
"আমরা কোনোভাবেই চাই না, অতীতের সিন্ডিকেট ভেঙে নতুন কোনো সিন্ডিকেট তৈরি হোক। একজন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে যাওয়ার জন্য জমি বিক্রি বা ঋণ নেওয়ার পর তাঁর কষ্টার্জিত অর্থ যেন কোনো সিন্ডিকেটের পকেটে না যায়, সরকারকে সেই নিশ্চয়তা দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫, ৪২৩, ৭৯ হাজার, সাড়ে ৫ লাখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!