📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিরপুরের জাতীয় উদ্যানে ২৫ ফুট উঁচু ক্যাকটাস দোতলা ভবন ছাড়িয়ে গেছে, ৭২ প্রজাতির ক্যাকটাসের সংগ্রহশালা

মিরপুরের জাতীয় উদ্যানে ২৫ ফুট উঁচু ক্যাকটাস দোতলা ভবন ছাড়িয়ে গেছে, ৭২ প্রজাতির ক্যাকটাসের সংগ্রহশালা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিরপুরের জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে একটি ২৫ ফুট উঁচু ক্যাকটাস দোতলা ভবন ছাড়িয়ে গেছে। উদ্যানে ৭২ প্রজাতির ক্যাকটাস সংরক্ষিত রয়েছে, যার মধ্যে একটি ৩০ বছরের পুরোনো গোল্ডেন ব্যারেল। একটি ব্যক্তি তার মায়ের স্মৃতি রক্ষার্থে উদ্যানে এই ক্যাকটাসটি দান করেছিলেন

মিরপুরের জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে একটি অসাধারন ক্যাকটাস দোতলা ভবন ছাড়িয়ে গেছে। এই ক্যাকটাসটির উচ্চতা এখন ২৫ ফুট, যা পাশের একটি দোতলা ভবনের ছাদও ছাড়িয়ে গেছে। উদ্যান কর্তৃপক্ষ লোহার বেড়াও এই ক্যাকটাসের চারপাশে দিয়েছে। এই উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম ‘cereus hexogenus’ এবং ইংরেজি নাম ‘সিরিয়াস ক্যাকটাস’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরপুরের জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে একটি ২৫ ফুট উঁচু ক্যাকটাস দোতলা ভবন ছাড়িয়ে গেছে
  • 📌 উদ্যানে সংরক্ষিত ৭২ প্রজাতির ক্যাকটাসের মধ্যে রয়েছে মেলোক্যাকটাস, ম্যামেলারিয়া, নটো ক্যাকটাসসহ বিভিন্ন প্রজাতি
  • 📌 উদ্যানের সবচেয়ে পুরোনো ক্যাকটাসটি হলো ৩০ বছরের বয়সী গোল্ডেন ব্যারেল
  • 📌 একটি ব্যক্তি তার মায়ের স্মৃতি রক্ষার্থে এই ক্যাকটাসটি উদ্যানে দান করেছিলেন
  • 📌 উদ্যানে ৩৫ বছর ধরে কাজরত মালি আবদুল আলিম জানান, গাছটি তার মায়ের শখের উদ্ভিদ ছিল
  • 📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উদ্যানের ক্যাকটাস বাগান পরিদর্শন করেছেন

📰 বিস্তারিত

জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানের কর্মকর্তারা জানান, এই ক্যাকটাসটি মূলত দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চল ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের স্থানীয় প্রজাতি। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এটি ব্রাজিলের পারা ও রোরাইমা রাজ্যেও পাওয়া যায়। এই ক্যাকটাসের প্রচলিত নাম ‘ব্লু সিরিয়াস’ ও ‘টল কলামনার ক্যাকটাস’।

ক্যাকটাসটির গল্প শুরু হয় প্রায় সাত থেকে আট বছর আগে। মোহাম্মদপুরের এক ব্যক্তি তার মায়ের স্মৃতি রক্ষার্থে এই ক্যাকটাসটি উদ্যানে দান করেছিলেন। ওই ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, তার মা এই গাছটি পরিচর্যা করতেন। মা মারা যাওয়ার পর তিনি বিদেশে চলে যাবেন এবং গাছটির পরিচর্যা করার মতো কেউ থাকবে না। তাই তিনি উদ্যানে যোগাযোগ করে গাছটি দান করেন। উদ্যান কর্তৃপক্ষ গাড়িতে করে গাছটি এনে রোপণ করে। কয়েক দিনের মধ্যে গাছ থেকে নতুন কাণ্ড বের হতে শুরু করে।

উদ্যানের মালি আবদুল আলিম ৩৫ বছর ধরে এই উদ্যানে কাজ করছেন। তিনি জানান, গাছটি দানকারী ব্যক্তির মায়ের খুব শখের গাছ ছিল। তিনি তার মায়ের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য গাছটি উদ্যানে দিয়েছিলেন।

জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে ক্যাকটাসের জন্য একটি বিশেষ বাগান গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে ৭২ প্রজাতির ক্যাকটাস সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মেলোক্যাকটাস, ম্যামেলারিয়া ক্যাকটাস, নটো ক্যাকটাস, জিমনো ক্যালাইসিয়াম, ফেরোক্যাকটাস, গোল্ডেন ব্যারেল, ওল্ড ম্যান, ডিসকো ক্যাকটাস, জিমনোক্যালিসিয়াম, ক্লিস্টোক্যাকটাসসহ আরও নানা প্রজাতি। উদ্যানের সবচেয়ে পুরোনো ক্যাকটাসটি হলো গোল্ডেন ব্যারেল, যার বয়স প্রায় ৩০ বছর।

উদ্যানের কর্মকর্তারা বলেন, বাগানটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্যাকটাসগুলোর অধিকাংশই নেপাল, ভারত ও থাইল্যান্ড থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। ক্যাকটাস পরিবারের উদ্ভিদগুলো দেখতে বিভিন্ন রকম — কোনোটি ছোট ও গোলাকার, কোনোটি চ্যাপটা, আবার কোনোটি স্তম্ভের মতো সোজা ওপরের দিকে বেড়ে ওঠে। কিছু প্রজাতি প্রাকৃতিক পরিবেশে অনেক উঁচু হতে পারে এবং তাদের কাণ্ড পানি সঞ্চয় করে শুষ্ক পরিবেশে টিকে থাকতে সহায়তা করে।

"আগে এত ক্যাকটাস একসঙ্গে কখনো দেখিনি। এখানে বহু ধরনের ক্যাকটাস দেখেছি। অপরিচিত সব ক্যাকটাস, বাহারি রং, বাহারি গড়ন, বাহারি সব ক্যাকটাস দেখে খুবই ভালো লেগেছে।"

— জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া তাসনীম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুরের জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল আলিম (মালি), সাদিয়া তাসনীম (শিক্ষার্থী), শওকত ইমরান আরাফাত (পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ প্রজাতির ক্যাকটাস, ২৫ ফুট উচ্চতা, ৩৫ বছর মালির কর্মজীবন, ৩০ বছর বয়সী গোল্ডেন ব্যারেল, ৫৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖