📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহে কাস্টমস কর্মীর হত্যাকাণ্ড: কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে ১৫ টুকরো লাশ গুমের অভিযোগ

ময়মনসিংহে কাস্টমস কর্মীর হত্যাকাণ্ড: কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে ১৫ টুকরো লাশ গুমের অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কাস্টমস কর্মী রাকিব রায়হানকে হত্যা করে লাশ ১৫ টুকরো করে ডোবায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তারই কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে। পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কাস্টমস কর্মী রাকিব রায়হানকে হত্যা করে লাশ টুকরো টুকরো করে পরিত্যক্ত ডোবায় ফেলে দেওয়ার ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যার ঘটনায় রাজু মির্জা ও সোহেল মির্জা নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ময়মনসিংহ পুলিশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কাস্টমস কর্মী রাকিব রায়হানকে হত্যা করে লাশ ১৫ টুকরো করে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়
  • 📌 রাজু মির্জা ও সোহেল মির্জা নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
  • 📌 হত্যার পর আসামিরা ঘটনাস্থল পরিষ্কার করে আলামত ধ্বংসের চেষ্টা করে
  • 📌 হত্যার চার বছর আগে থেকে রাজু ছিলেন রাকিবের কেয়ারটেকার
  • 📌 হত্যার পর রাকিবের মোবাইল ও ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করা হয়

📰 বিস্তারিত

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় কাস্টমস কর্মী রাকিব রায়হান হত্যার ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যার ঘটনায় রাজু মির্জা (২২) ও সোহেল মির্জা ওরফে জিতুল (২০) নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুইজনই ফুলবাড়িয়া উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাকিব রায়হান (৪০) ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় সিপাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ২৪ জুলাই তিনি ছুটিতে বাড়ি আসেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ থাকেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খুঁজেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। ২৭ জুলাই তাঁর বড় ভাই নুরুল ইসলাম থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরে ২ আগস্ট উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের পরিত্যক্ত খাল থেকে তিনটি ব্যাগে রাকিবের লাশের ১৫ টুকরো উদ্ধার করে পুলিশ।

ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হত্যার ঘটনায় রাজু মির্জা প্রধান আসামি। তিনি চার বছর ধরে রাকিব রায়হানের কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন। হত্যার দিন রাতে রাজু রাকিবকে দুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ান। ঘুমিয়ে পড়লে তাঁকে রড দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। পরে লাশ টয়লেটে নিয়ে গরুর মাংস কাটার যন্ত্রে রেখে ১৫ টুকরো করা হয়। টুকরোগুলো তিনটি ব্যাগে ভরে পরিত্যক্ত ডোবার ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়।

"হত্যার পর আসামিরা ঘটনাস্থলের আলামত নষ্ট ও অপরাধ গোপন করতে বিভিন্ন পরিষ্কারক সামগ্রী ব্যবহার করে ঘর ও বাথরুম পরিষ্কার করেন। এরপর তারা রাকিবের ঘর থেকে নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী সরিয়ে নেন। এ ছাড়া রাকিবের মোবাইল ও ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে টাকাও উত্তোলন করা হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাকিব রায়হান, রাজু মির্জা, সোহেল মির্জা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ টুকরো, ২ জন আসামি, ৪ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖