📌 বরিশাল বিএম কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের পদায়ন বাতিল করেছে সরকার। বিসিএস ক্যাডার শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের মুখে এই সিদ্ধান্ত আসে। ঘটনার সময় দুই পক্ষের হাতাহাতি ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় শিক্ষকেরা
বরিশাল বিএম কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের পদায়ন বাতিল করেছে সরকার। বিসিএস ক্যাডার শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব এ এস এম শাহরিয়ার জাহান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই পদায়ন বাতিলের কথা জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএম কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের পদায়ন বাতিল করেছে সরকার
- 📌 পদায়ন বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব এ এস এম শাহরিয়ার জাহান
- 📌 পদায়ন বাতিলের আগমুহূর্তে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও দুই পক্ষের হাতাহাতি ঘটনা
- 📌 অধ্যাপক আজাদ ছিলেন ১০ শতাংশ কোটায় আসা নন-ক্যাডার শিক্ষক
- 📌 বিসিএস শিক্ষকদের দাবি ছিল প্রশাসনিক পদে নন-ক্যাডার পদায়নের বিরুদ্ধে
📰 বিস্তারিত
বরিশাল বিএম কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের পদায়ন বাতিল করেছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২-এর উপসচিব এ এস এম শাহরিয়ার জাহান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে গত ২০ আগস্টের পদায়নটি বাতিল করা হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘গত ২০ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনের ৮ নম্বর ক্রমিকে বিএম কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদকে ওই কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে পদায়ন করা হয়। প্রশাসনিক কারণে ওই পদায়ন বাতিল করা হলো।’
পদায়ন বাতিলের আগমুহূর্তে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের একদল শিক্ষার্থী অধ্যাপক আজাদকে যোগদানের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় কলেজের শিক্ষকেরা অধ্যক্ষের কার্যালয় ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। একই সময়ে বিসিএস শিক্ষকদের পক্ষ নিয়ে অপর একদল ছাত্র অবস্থান নিলে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা কলেজের মসজিদ গেট পর্যন্ত এসে অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. তাজুল ইসলামের কার্যালয়ের সামনে হইচই শুরু করলে তিনি গাড়ি নিয়ে দ্রুত চলে যান। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। কলেজের সহকারী অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম জানান, তাঁদের আন্দোলন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ছিল না, বরং বিসিএস ক্যাডারের মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসনিক পদে নন-ক্যাডার পদায়নের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলমান আন্দোলনের অংশ ছিল এটি।
‘আমরা প্রশাসনিক পদে নন-ক্যাডার পদায়নের বিরুদ্ধে ২০১৭ সাল থেকে আন্দোলন করে আসছি। অধ্যাপক আজাদ ছিলেন ১০ শতাংশ কোটায় আসা নন-ক্যাডার শিক্ষক।’
এ বিষয়ে জানতে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. তাজুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি বলে জানান সূত্র।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল বিএম কলেজ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, এ এস এম শাহরিয়ার জাহান, ড. তাজুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ আগস্ট, ৮ নম্বর ক্রমি, ১০ শতাংশ, ২০১৭ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!