📌 চেক ডিজঅনার মামলায় মুজিব পরদেশীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার আদালত। ২০০৩ সালে বিদেশে নেওয়ার প্রলোভনে চার লাখ চল্লিশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
ঢাকার আদালত চেক ডিজঅনার মামলায় লোকসংগীতশিল্পী মুজিব পরদেশীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ মো. সাদিক আহমেদ তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, সকালে কারাগার থেকে মুজিব পরদেশীকে আদালতে হাজির করা হয়। গ্রেপ্তার দেখানোর পর তাঁকে হাজতে প্রেরণ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুজিব পরদেশীকে চেক ডিজঅনার মামলায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত
- 📌 ২০০৩ সালে বিদেশে নেওয়ার প্রলোভনে চার লাখ চল্লিশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
- 📌 মামলার অভিযোগ অনুসারে ব্যাংক চেক প্রত্যাখ্যানের ঘটনা ঘটেছে একাধিকবার
- 📌 আগস্ট মাসের পাঁচ তারিখে দশ লাখ টাকার আরেকটি চেক ডিজঅনার মামলায় তাঁকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত চেক ডিজঅনার মামলায় মুজিব পরদেশীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে কারাগার থেকে মুজিব পরদেশীকে আদালতে হাজির করা হয়। গ্রেপ্তার দেখানোর পর তাঁকে হাজতে প্রেরণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহ আলম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ অনুসারে, ২০০৩ সালে মুজিব পরদেশী বিদেশে নেওয়ার প্রলোভনে মুজিবুর রহমানের ছোট ভাই মো. সোলায়মান সরদারকে ইংল্যান্ডে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে চার লাখ চল্লিশ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে দুই লাখ বিশ হাজার টাকা এবং নগদে আরও দুই লাখ বিশ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পরে সোলায়মানকে ইংল্যান্ডে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হলে বাদী টাকা ফেরত চান। মুজিব পরদেশী দুই লাখ বিশ হাজার টাকা করে দুটি চেক প্রদান করেন। কিন্তু চেক দুটি ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর ‘ফান্ড অপর্যাপ্ত’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়।
এ ঘটনায় বাদী একাধিকবার আইনি নোটিশ পাঠালেও টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ২০০৪ সালের এক জুন নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা করা হয়। মামলার নথিতে আরও অভিযোগ করা হয়, মুজিব পরদেশী সংগীতশিল্পী পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে বিদেশে নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আরও কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। তবে মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো নাম উল্লেখ নেই।
‘আমার কিছু বলার নেই, মামলা হয়েছে, ভালো।’ — মুজিব পরদেশী
উল্লেখ্য, আগস্ট মাসের পাঁচ তারিখে দশ লাখ টাকার আরেকটি চেক ডিজঅনার মামলায় মুজিব পরদেশীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই মামলায় ২০২২ সালে মাগুরার আদালতে ইদ্রিস আলী বিশ্বাস মামলা করেন। ২০২৩ সালের পনেরো মার্চ মাগুরার দ্বিতীয় যুগ্ম দায়রা জজ মুহাম্মদ আনোয়ার ছাদাত তাঁকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও চেকের সমপরিমাণ দশ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। ওই মামলার রায় ঘোষণার সময় মুজিব পরদেশী পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুজিব পরদেশী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চার লাখ চল্লিশ হাজার টাকা, দুই লাখ বিশ হাজার টাকা, এক জুন ২০০৪, ১৩৮ ধারা, পাঁচ আগস্ট, দশ লাখ টাকা, পনেরো মার্চ ২০২৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!