📌 নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় নিজের ১৪ দিন বয়সী সন্তানকে প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে হত্যার অভিযোগে এক মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, দাম্পত্য কলহের জেরে হত্যার ঘটনা ঘটে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় নিজের ১৪ দিন বয়সী নবজাতক সন্তানকে পানি রাখার প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনার তদন্তে নবজাতকের মা ফাতেমা বেগমকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ১৪ দিন বয়সী নবজাতককে ড্রামে ফেলে হত্যার অভিযোগে মা ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার
- 📌 হত্যার কারণ হিসেবে দাবি করা হয়েছে ঘুমের ব্যাঘাত ও অতিরিক্ত কান্নাকাটি
- 📌 ঘটনাস্থল মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদারহাট এলাকা
- 📌 ফাতেমা বেগমের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানায়
📰 বিস্তারিত
সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদারহাট সংলগ্ন বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত নবজাতকটি স্থানীয় সৌরভ হোসেনের ছেলে বলে জানা যায়। ফাতেমা বেগম উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের শরীফ উল্যার মেয়ে। বিবাহিত জীবনে দাম্পত্য কলহ চলছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রাতের বেলায় নবজাতককে ঘরে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ফাতেমাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে তিনি দাবি করেন, পেছন থেকে তাকে মাথায় আঘাত করে কেউ শিশুটিকে নিয়ে গেছে। পরবর্তীতে তিনি দাবি করেন, জিনে নিয়ে গেছে। এতে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ঘরে থাকা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে নবজাতকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ফাতেমা স্বীকার করেন যে, তার সন্তান অতিরিক্ত কান্নাকাটি করত এবং তাকে ঘুমাতে দিত না। এই কারণে তিনি ক্রোধে সন্তানকে ড্রামের পানিতে ফেলে হত্যা করেন। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো. শামসুজ্জামান।
"নবজাতক জ্বালাতন করত, ঘুম যেত না, অতিরিক্ত কান্নাকাটি করত, মাকে ঘুম যেতে দিত না বলে প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে ফেলে তাকে হত্যা করেন ফাতেমা বেগম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়ন, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাতেমা বেগম (১৯)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ (দিন), ১৯ (বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!