📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁদের মহাকর্ষ বলেই ঘটে সাগরের নিয়মিত জোয়ার-ভাটা

চাঁদের মহাকর্ষ বলেই ঘটে সাগরের নিয়মিত জোয়ার-ভাটা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পৃথিবীর সাগরে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা হওয়ার মূল কারণ চাঁদের মহাকর্ষ বল। সূর্য ও পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবেও এই প্রক্রিয়া প্রভাবিত হয়। কক্সবাজারসহ বিশ্বের সব সাগরেই দিনে দুইবার ঘটে এই ঘটনা

পৃথিবীর সাগরগুলোতে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে ঘটে চলা জোয়ার-ভাটা প্রক্রিয়া মূলত নিয়ন্ত্রিত হয় চাঁদের মহাকর্ষ বলের মাধ্যমে। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দাঁড়ালে যেমন দেখা যায় দিনে দুইবার পানির স্তর বাড়ে ও কমে, একই ঘটনা ঘটে বিশ্বের অন্যান্য সাগর ও মহাসাগরেও। এই প্রক্রিয়ায় ভরা জোয়ারের সময় পানির স্তর সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছায়, আর ভাটার সময় তা সর্বনিম্নে নেমে যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁদের মহাকর্ষ বলের কারণে পৃথিবীর সাগরের পানি নিয়মিত ওঠানামা করে
  • 📌 পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার কিলোমিটার
  • 📌 দিনে দুইবার ঘটে জোয়ার-ভাটা, প্রতি ৬ ঘণ্টা পরপর পরিবর্তন ঘটে
  • 📌 চাঁদের বিপরীত দিকেও একই সময়ে ঘটে জোয়ারের সৃষ্টি
  • 📌 সূর্যের মহাকর্ষ বলও জোয়ার-ভাটায় ভূমিকা রাখে, তবে চাঁদের তুলনায় কম

📰 বিস্তারিত

পৃথিবীর সাগরে জোয়ার-ভাটা হওয়ার প্রধান কারণ চাঁদের মহাকর্ষ বল। চাঁদ পৃথিবী থেকে প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করলেও এর অভিকর্ষ বলের প্রভাব সরাসরি পড়ে সাগরের পানির ওপর। এই বলের প্রভাবে পৃথিবীর যে অংশ চাঁদের দিকে মুখ করে থাকে, সেখানে পানির স্তর ফুলে ওঠে এবং জোয়ারের সৃষ্টি হয়। একই সময়ে পৃথিবীর বিপরীত দিকেও কেন্দ্রবিমুখী বলের কারণে পানির স্তর বৃদ্ধি পায়। ফলে দুই স্থানে একই সময়ে জোয়ার দেখা দেয়।

পৃথিবীর নিজস্ব ঘূর্ণনের কারণে প্রতি ৬ ঘণ্টা পরপর এই জোয়ার-ভাটার পরিবর্তন ঘটে। কক্সবাজারসহ বিশ্বের বিভিন্ন সমুদ্রসৈকতে পর্যটকরা এই প্রাকৃতিক ঘটনার সাক্ষী হন। তবে শুধু সাগর নয়, বড় হ্রদ ও নদীতেও এই প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, যদিও তা তুলনামূলকভাবে কম।

চাঁদের পাশাপাশি সূর্যের মহাকর্ষ বলও জোয়ার-ভাটায় ভূমিকা রাখে। অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করলে সূর্য ও চাঁদের মিলিত বলের কারণে সৃষ্টি হয় ভরা জোয়ার। আবার চাঁদ যখন সূর্যের সঙ্গে ৯০ ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে, তখন সূর্যের বল চাঁদের বলকে বাধা দেয়, ফলে সৃষ্টি হয় মরা জোয়ার।

"চাঁদের অভিকর্ষ বলের কারণেই সাগরের পানি নিয়মিত ওঠানামা করে। তবে সূর্যের মহাকর্ষ বল এবং পৃথিবীর ঘূর্ণন গতিও এই প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বের সকল সাগর ও মহাসাগর
  • 👥 ব্যক্তি: পর্যটক ও বিজ্ঞানীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ ৮৪ হাজার কিলোমিটার (চাঁদের দূরত্ব), ৬ ঘণ্টা (জোয়ার-ভাটার চক্র), ৯০ ডিগ্রি (সূর্য ও চাঁদের অবস্থান কোণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖