📌 দেশের মহাসড়কে দ্রুত সাড়া দিতে ৬০টি অত্যাধুনিক বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স নামানো হচ্ছে। দুর্ঘটনা স্থলে দ্রুত পৌঁছে প্রাথমিক চিকিৎসা ও গোল্ডেন আওয়ার কাজে লাগাতে কেন্দ্রীয় কল সেন্টারের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
দেশের মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে অত্যাধুনিক ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট (বিএলএস) অ্যাম্বুলেন্স চালু করা হচ্ছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মহাসড়কে দ্রুত সাড়া দিতে ৬০টি অত্যাধুনিক বিএলএস অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হবে
- 📌 দুর্ঘটনার পর ‘গোল্ডেন আওয়ার’ কাজে লাগাতে কেন্দ্রীয় কল সেন্টার থেকে অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হবে
- 📌 প্রতি ১০ কিলোমিটার অন্তর অ্যাম্বুলেন্স অবস্থান করবে, যাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো যায়
- 📌 অ্যাম্বুলেন্সগুলো চন্দ্রা-এলেঙ্গা হয়ে রংপুর, হাটিকুমরুল-রাজশাহী ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মোতায়েন করা হবে
- 📌 প্রতিটি অ্যাম্বুলেন্সে তিনজন স্বাস্থ্য প্রযুক্তিবিদ থাকবেন এবং কল সেন্টার ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে
📰 বিস্তারিত
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতে দেশের মহাসড়কগুলোতে অত্যাধুনিক ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। সওজের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ৬০টি বিএলএস অ্যাম্বুলেন্স মহাসড়কে মোতায়েন করা হবে। এসব অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার পর ‘গোল্ডেন আওয়ার’ কাজে লাগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পর অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স পেতে দেরি হয়, যার ফলে আহত ব্যক্তির জীবনহানি ঘটে। এ সমস্যা সমাধানে মহাসড়কে একটি সমন্বিত জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সগুলো দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করবে এবং নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাবে।
প্রধান প্রকৌশলী জানান, অ্যাম্বুলেন্সগুলো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক করিডরে মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে চন্দ্রা-এলেঙ্গা হয়ে রংপুর পর্যন্ত হাইওয়ে করিডর, হাটিকুমরুল থেকে নাটোর হয়ে রাজশাহীর কাটাখালী পর্যন্ত করিডর এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। এসব করিডরে প্রতি ১০ কিলোমিটার পরপর অ্যাম্বুলেন্স অবস্থান করবে, যাতে যেকোনো দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো যায়।
"দুর্ঘটনার পর ‘গোল্ডেন আওয়ার’ কাজে লাগানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে, আহত ব্যক্তিকে বেসিক লাইফ সাপোর্ট দেবে এবং দ্রুততম সময়ে নিকটস্থ উপযুক্ত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।"
এছাড়া, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় কল সেন্টার থেকে সবচেয়ে কাছের অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হবে। কল সেন্টারটি ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে এবং দুর্ঘটনার স্থান শনাক্ত করে অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হবে। প্রতিটি অ্যাম্বুলেন্সে তিনজন স্বাস্থ্য প্রযুক্তিবিদ থাকবেন, যারা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন। ফলে ২৪ ঘণ্টাই প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী পাওয়া যাবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চন্দ্রা-এলেঙ্গা হয়ে রংপুর, হাটিকুমরুল-রাজশাহী, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: মো. মনিরুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী, সওজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০টি অ্যাম্বুলেন্স, প্রতি ১০ কিলোমিটার অন্তর অবস্থান, ২৪ ঘণ্টা কল সেন্টার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!