📌 মঙ্গলের চাঁদ ডিমোসের আলুর মতো আকৃতি নিয়ে বিজ্ঞানীরা নতুন গবেষণায় জানিয়েছেন, প্রায় ৩২০ মিটার ব্যাসের একটি গ্রহাণুর আঘাতে এর বিশাল গর্ত ও ধুলার স্তর তৈরি হয়েছে। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার হেরা মিশনের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন গবেষকরা
মঙ্গল গ্রহের দুটি চাঁদের মধ্যে ডিমোসের আকৃতি আলুর মতো হওয়ার কারণ নিয়ে নতুন গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রায় ৩২০ মিটার ব্যাসের একটি গ্রহাণুর ৪৫ ডিগ্রি কোণে আঘাতেই ডিমোসের দক্ষিণ মেরুতে বিশাল গর্ত এবং চারপাশে ধুলার স্তর তৈরি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মঙ্গলের চাঁদ ডিমোসের আকৃতি আলুর মতো হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে নতুন গবেষণা প্রকাশ
- 📌 প্রায় ৩২০ মিটার ব্যাসের গ্রহাণুর আঘাতে ডিমোসের দক্ষিণ মেরুতে ১০ কিলোমিটার চওড়া গর্ত তৈরি হয়েছে
- 📌 ডিমোসের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা ধুলার স্তরের পুরুত্ব সর্বোচ্চ ২০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে
- 📌 গবেষণা দলের মতে, ডিমোসের ভেতরের গঠন অনেকটা ভাঙা পাথরের স্তূপের মতো, যা আঘাতের শক্তি শোষণ করে নিয়েছে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গল গ্রহের দুটি চাঁদের মধ্যে ডিমোস অন্যতম। এর আকৃতি আলুর মতো হওয়ার কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীদের মধ্যে কৌতূহল ছিল। নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৩২০ মিটার ব্যাসের একটি গ্রহাণু ৪৫ ডিগ্রি কোণে ডিমোসে আঘাত করেছিল। সেই আঘাতেই চাঁদটির দক্ষিণ মেরুতে প্রায় ১০ কিলোমিটার চওড়া একটি বিশাল গর্ত তৈরি হয়।
ডিমোসের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা ধুলার স্তর নিয়ে গবেষকদের কৌতূহলের শেষ ছিল না। নতুন গবেষণায় জানা গেছে, সেই গ্রহাণুর আঘাতের ফলে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে প্রচুর ধুলা ও পাথরের টুকরো ছিটকে গিয়ে আবার চাঁদটির ওপর ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে ধুলার স্তরের পুরুত্ব সর্বোচ্চ ২০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
গবেষণা দলের সহলেখক মার্টিন ইউটজি জানান, একটি শক্তিশালী আঘাতই ডিমোসের বর্তমান ভূদৃশ্য তৈরি করার জন্য যথেষ্ট ছিল। তবে সেই আঘাত এতটাও শক্তিশালী ছিল না যে পুরো চাঁদকে ধ্বংস করে দিতে পারত। এর প্রমাণ হিসেবে ডিমোসের ওপর ধুলার স্তরের নিচে পুরোনো কিছু গর্তের চিহ্ন এখনো দেখা যায়।
"একটি আঘাতই ডিমোসের বর্তমান ভূদৃশ্য তৈরি করার জন্য যথেষ্ট ছিল। তবে আঘাতটি এত শক্তিশালী ছিল না যে পুরো চাঁদকে টুকরা টুকরা করে ফেলবে।"
গবেষকরা জানিয়েছেন, ডিমোসের ভেতরের গঠন অনেকটা ভাঙা পাথরের স্তূপের মতো। এর ফলে গ্রহাণুর আঘাতের শক্তি ভেতরে গিয়ে অনেকটাই কমে যায়। তবে এই আঘাত ঠিক কত বছর আগে ঘটেছিল, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ডিমোস তৈরি হওয়ার পরেই এই সংঘর্ষ ঘটেছিল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মঙ্গল গ্রহ
- 👥 গবেষণা দলের প্রধান লেখক: সাবিনা রাদুকান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২০ মিটার (গ্রহাণুর ব্যাস), ৪৫ ডিগ্রি (আঘাতের কোণ), ১০ কিলোমিটার (গর্তের আকার), ২০০ মিটার (ধুলার স্তরের পুরুত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!