📌 মানিকগঞ্জে শতাধিক দেশীয় ফসলের বীজ ও অচাষকৃত উদ্ভিদ নিয়ে আয়োজিত হয়েছে বিশেষ মেলা। স্থানীয় কৃষাণীরা নিজেদের সংরক্ষিত বীজ বিক্রির জন্য স্থায়ী বাজার তৈরির দাবি জানিয়েছেন। একই জেলায় এক স্কুলশিক্ষিকার আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সরুপাই গ্রামে বুধবার (১৯ আগস্ট) শতাধিক দেশীয় ফসলের বীজ ও অচাষকৃত উদ্ভিদ নিয়ে আয়োজিত হয়েছে বিশেষ মেলা। সরুপাই নারী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় স্থানীয় কৃষাণীরা নিজেদের সংরক্ষিত শতাধিক জাতের বীজ ও উদ্ভিদ প্রদর্শন করেন। এর মধ্যে ছিল দেশি লাউ, শিম, চৈত্রা সরিষা, কুসুমফুল, থানকুনি পাতা, ডিমা শাকসহ বিভিন্ন স্থানীয় ফসল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জের সরুপাই গ্রামে শতাধিক দেশীয় ফসলের বীজ মেলা আয়োজন করা হয়
- 📌 মেলায় দেশি লাউ, শিম, চৈত্রা সরিষা, থানকুনি পাতা, ডিমা শাকসহ শতাধিক জাতের ফসল প্রদর্শিত হয়
- 📌 সরুপাই নারী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় দুই শতাধিক কৃষাণী অংশ নেন
- 📌 স্থানীয় কৃষাণীরা নিজেদের সংরক্ষিত বীজ বিক্রির জন্য স্থায়ী বাজার তৈরির দাবি জানান
- 📌 একই জেলায় স্কুলশিক্ষিকা সেলিনা আক্তারের (২৭) আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে
📰 বিস্তারিত
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের সরুপাই গ্রামে বুধবার (১৯ আগস্ট) শতাধিক দেশীয় ফসলের বীজ ও অচাষকৃত উদ্ভিদ নিয়ে বিশেষ মেলা আয়োজন করা হয়। সরুপাই নারী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় সরুপাই গ্রামের কিষানিদের পাশাপাশি জয়নগর ও রামদিয়ানালী অ্যাগ্রো ইকোলজি শিখন কেন্দ্রের দুই শতাধিক কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।
মেলায় অংশগ্রহণকারী কৃষাণীরা নিজেদের সংগ্রহ ও সংরক্ষণে থাকা শতাধিক দেশীয় জাতের বীজ ও উদ্ভিদ প্রদর্শন করেন। প্রদর্শনীতে দেশি লাউ, শিম, চৈত্রা সরিষা, কুসুমফুল, ডাঁটার বীজ, শাপলা, থানকুনি পাতা, ডিমা শাক, দেশি তিল, কালোজিরা, লাল শাক, পুনর্ণবা, হেলেঞ্চাসহ বিভিন্ন স্থানীয় ফসল ও উদ্ভিদ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
প্রদর্শনীর পাশাপাশি লালশাকরা এসব বীজ ও উদ্ভিদ বিক্রিও করেন। অংশগ্রহণকারী কৃষাণীরা জানান, নিজেদের উদ্যোগে সংরক্ষণ করা বীজ বিক্রির জন্য স্থানীয় পর্যায়ে একটি স্থায়ী বাজার গড়ে তোলা জরুরি। এর মাধ্যমে দেশীয় বীজ সংরক্ষণের পাশাপাশি কৃষকদের আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে বলে তারা মত প্রকাশ করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সরুপাই গ্রাম, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেশমা আক্তার, কমল চন্দ্র দত্ত, সেলিনা আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই শতাধিক কৃষাণী, শতাধিক জাতের ফসল
"দেশীয় বীজ সংরক্ষণে স্থানীয় পর্যায়ে বাজার গড়ে তোলা জরুরি। এর মাধ্যমে কৃষিবৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি কৃষকদের আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।"
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!