📌 কক্সবাজারের মহেশখালী এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণে ৪ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে যাবে। এর ফলে সারাদেশে গ্যাসের চাপ কমে গ্রাহকদের অসুবিধা হতে পারে
কক্সবাজারের মহেশখালী এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে ৪ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে গ্যাস সরবরাহে উল্লেখযোগ্য কমতি দেখা দেবে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এই সময়ে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে যাবে। এর ফলে ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতসহ বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্প চাপের সমস্যায় পড়তে পারেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত মহেশখালী এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
- 📌 দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে যাবে।
- 📌 গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করতে পারে — আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতসহ সব শ্রেণির গ্রাহক আক্রান্ত হতে পারেন।
- 📌 পেট্রোবাংলার উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তারিকুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
- 📌 গত বছরের ডিসেম্বরেও একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
পেট্রোবাংলা ১ নভেম্বর তারিকুল ইসলাম খানের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মহেশখালী এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালীন জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যাবে। এর ফলে সারাদেশে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই সময়ে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করতে পারে।
গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, কোথাও গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রাখার কোনো পরিকল্পনা নেই। সংস্থাটি গ্রাহকদের কাছে এই সময়ের অসুবিধার জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে।
এই রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের আগেও গত বছরের ডিসেম্বর মাসে একই ধরনের কাজ করা হয়েছিল। সেই সময়েও জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহে উল্লেখযোগ্য কমতি দেখা গিয়েছিল।
"বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজারের মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তারিকুল ইসলাম খান (পেট্রোবাংলার উপমহাব্যবস্থাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট (গ্যাস সরবরাহ কমতি), ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট (নতুন সরবরাহ পরিমাণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!