📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কঠোর পদক্ষেপ: ১৩ লাখ ৫৫ হাজার আবেদন বাতিল

এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কঠোর পদক্ষেপ: ১৩ লাখ ৫৫ হাজার আবেদন বাতিল

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তাদের চাকরিচ্যুত ও মামলা দায়ের করেছে। সম্পত্তি বিক্রি, উত্তরাধিকার দাবি ও পাসপোর্ট পরিবর্তনের জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। ৬৫ লাখেরও বেশি আবেদনের মধ্যে ১৩ লাখ ৫৫ হাজার আবেদন বাতিল হয়েছে

বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সম্পত্তি বিক্রি, উত্তরাধিকার দাবি ও পাসপোর্ট পরিবর্তনের মতো জালিয়াতির চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। এসব অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতির অভিযোগে কর্মকর্তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৩ লাখ ৫৫ হাজার এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল** — ৬৫ লাখেরও বেশি আবেদনের মধ্যে ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি নিষ্পত্তি হয়েছে, এর মধ্যে ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি বাতিল করা হয়েছে।
  • 📌 **জালিয়াতির অভিযোগে কর্মকর্তাদের বরখাস্ত** — ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আ. ছত্তার ও পঞ্চগড় সদর উপজেলা অফিস সহকারী কামনা রানী সরকারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
  • 📌 **জন্মতারিখের অসঙ্গতি** — অনেক আবেদনে বাবা ও ছেলের বয়সের ব্যবধান মাত্র তিন বছর, আবার মা ও মেয়ের বয়সের ব্যবধান দুই থেকে তিন বছর দেখানো হয়েছে।
  • 📌 **বিদেশি ও রোহিঙ্গাদের জাল এনআইডি** — বিদেশি নাগরিক ও রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ বাংলাদেশি পরিচয়ে এনআইডি তৈরি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
  • 📌 **সংশোধন আবেদনের জটিলতা** — নাম, বাবা-মায়ের নাম ও বয়সসহ একাধিক তথ্য সংশোধনের জন্য জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদসহ নথি যাচাই করা হয়।

📰 বিস্তারিত

এনআইডি সংশোধনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সম্পত্তি বিক্রি, উত্তরাধিকার দাবি ও পাসপোর্ট পরিবর্তনের মতো জালিয়াতির চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। এসব অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতির অভিযোগে অনেক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সুতরাং আমরা ছাড় দিচ্ছি না।’

ইসি কর্মকর্তারা জানান, জালিয়াতি ঠেকাতে এনআইডি সংশোধনের প্রতিটি আবেদন প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র যাচাই করে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। আবেদনকারীকে সঠিক তথ্যের পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য প্রমাণ দিতে হচ্ছে। সিইসি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে নাম পরিবর্তন করে সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছে। কেউ কেউ উত্তরাধিকারী বা ওয়ারিশ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে এনআইডি সংশোধনের চেষ্টা করেছেন। আবার কেউ জালিয়াতির মাধ্যমে পাসপোর্ট পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন। এ কারণে যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে সব আবেদন অনুমোদন করা সম্ভব নয়।

সংশোধন আবেদনের জটিলতায় ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আ. ছত্তার ও পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের অফিস সহকারী কামনা রানী সরকারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, অনেক আবেদনে বাবা ও ছেলের বয়সের ব্যবধান মাত্র তিন বছর, আবার মা ও মেয়ের বয়সের ব্যবধান দুই থেকে তিন বছর দেখানো হয়েছে। কারও কারও একাধিক জন্মনিবন্ধন বা শিক্ষাগত সনদও রয়েছে। এসব তথ্য যাচাই না করে সংশোধন করলে ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি ভুয়া পরিচয়ে এনআইডি সংগ্রহের ঝুঁকিও থাকে।

সিইসি বলেন, বিদেশি নাগরিক ও রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ বাংলাদেশি নাগরিক পরিচয়ে এনআইডি তৈরি করে ফেলছেন—এমন অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে আবেদনগুলো যাচাই, তদন্ত ও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, অনেক আবেদনকারী এমন জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন করেন, যা আগের নিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। উদাহরণস্বরূপ, একজনের জন্ম ১৯৯৭ সালে। তিনি ২০১৫ সালে ১৮ বছর বয়সে ভোটার হয়েছেন। পরে তিনি জন্মসাল ২০০২ করার আবেদন করেছেন। এতে নিবন্ধনের সময় তার বয়স দাঁড়ায় ১৩ বছর। অথচ ভোটার হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর হওয়া প্রয়োজন। এ ধরনের আবেদন গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

অনেক আবেদনকারী মানবিক বিবেচনায় তথ্য সংশোধনের আবেদন করেন। কিন্তু যাচাই ছাড়া অনুমোদন দিলে নির্বাচন কমিশনকেই সমস্যায় পড়তে হয়। ইসি কর্মকর্তারা জানান, অধিকাংশ এনআইডি সংশোধনের আবেদন উপজেলা পর্যায়েই নিষ্পত্তি করা সম্ভব। তবে নাম, বাবা-মায়ের নাম ও বয়সসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একসঙ্গে সংশোধনের জটিল আবেদন উচ্চপর্যায়ে পাঠানো হয়। সেখানে জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদসহ সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা হয়। বাবার নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাবার এনআইডি এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা জরুরি। শুধু হলফনামার ভিত্তিতে এ ধরনের সংশোধন করা সম্ভব নয়।

"অনেক ক্ষেত্রে নাম পরিবর্তন করে সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছে। কেউ কেউ উত্তরাধিকারী বা ওয়ারিশ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে এনআইডি সংশোধনের চেষ্টা করেছেন।" — প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঝালকাঠি (কাঠালিয়া উপজেলা), পঞ্চগড় (সদর উপজেলা), ঢাকা (ইসি সচিবালয়)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন, সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ, মো. আ. ছত্তার, কামনা রানী সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২টি আবেদন জমা, ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি নিষ্পত্তি, ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি আবেদন বাতিল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖