📌 প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, বাংলাদেশের সরকারের লক্ষ্য হলো ধর্ম-বর্ণের বিভাজন ছাড়াই সবার পরিচয় বাংলাদেশি করে তোলা। তিনি মহালয়া অনুষ্ঠানে বলেন, সরকারের উদ্যোগে দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি বাড়ানো হয়েছে এবং প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, বাংলাদেশের সরকারের লক্ষ্য হলো ধর্ম-বর্ণের বিভাজন ছাড়াই সবার পরিচয় বাংলাদেশি করে তোলা। তিনি শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর বনানী মাঠে অনুষ্ঠিত ‘মহালয়া ১৪৩৩’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাহদী আমিন বলেছেন, বাংলাদেশের সরকারের লক্ষ্য হলো ধর্ম-বর্ণের বিভাজন ছাড়াই সবার পরিচয় বাংলাদেশি করে তোলা।
- 📌 সরকারের উদ্যোগে দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি বাড়ানো হয়েছে এবং প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে।
- 📌 তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, পরিচয় হবে বাংলাদেশি’।
- 📌 মহালয়া অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘ধর্ম, বর্ণ, আদর্শ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ভিন্নতা থাকলেও সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি’।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অঙ্গীকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
📰 বিস্তারিত
মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হলো প্রত্যেক নাগরিককে সমান অধিকার, নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও মর্যাদা প্রদান করা। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি মানুষ স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচবেন এবং সমান মর্যাদা নিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অংশ নেবেন’।
মহালয়া উদযাপনের মাধ্যমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন কান্তি মজুমদার এবং গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলোক সাহা ও সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায়সহ অন্যরা।
মাহদী আমিন বলেন, ‘মহালয়া নতুন আশার আলো এবং অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয়ের বার্তা নিয়ে আসে’। তিনি বলেন, ‘অন্ধকারকে পেছনে ফেলে আলোর জয় নিশ্চিত করাই এ উৎসবের মূল শিক্ষা’। তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ম, বর্ণ, আদর্শ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ভিন্নতা থাকলেও সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি’।
"আমরা এমন একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, পরিচয় হবে বাংলাদেশি। প্রতিটি মানুষ স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচবেন এবং সমান মর্যাদা নিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অংশ নেবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বনানী মাঠ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহদী আমিন (প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর (তারিখ), ৬ টা (বেলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!