📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাগুরার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলায় জমে পড়লো আনন্দময় দর্শকসমাগম, সংস্কৃতিমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন শতবর্ষী ঐতিহ্য

মাগুরার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলায় জমে পড়লো আনন্দময় দর্শকসমাগম, সংস্কৃতিমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন শতবর্ষী ঐতিহ্য

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাগুরার মহম্মদপুরে অনুষ্ঠিত শতবর্ষী লাঠিখেলায় হাজারো দর্শক উপস্থিত হয়েছেন। সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী উদ্বোধন করেন এই ঐতিহ্যবাহী আসর। নারী দর্শকদের বিশেষ উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো

মাগুরা জেলার মহম্মদপুরে বসেছে ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলার শতবর্ষী আসর। ক্রিকেট ও ফুটবলের আধুনিক খেলা জমজমাটে জয়জয়কারে হারিয়ে যেতে বসা গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য এই ঐতিহ্যবাহী খেলা আজ শুক্রবার বিকেলে বাবুখালী ইউনিয়নের ডুমুরশিয়া ডি সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। শতবর্ষের পুরোনো এই খেলায় হাজারো নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা আনন্দঘন মিলনমেলায় রূপ নেয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাগুরার ডুমুরশিয়া ডি সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ১০৬তম লাঠিখেলা
  • 📌 সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী উদ্বোধন করেন এই ঐতিহ্যবাহী আসর
  • 📌 নারী দর্শকদের বিশেষ উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো
  • 📌 লাঠিখেলার আয়োজন করে ডুমুরশিয়া বাজার বণিক সমিতি
  • 📌 লাঠিয়াল দলের প্রধান মানিক সরদার বলেন, পূর্বপুরুষদের দেখেই এই খেলায় আগ্রহ জন্মেছে
  • 📌 ঢাকঢোল আর বাঁশির তালে অনুষ্ঠিত হয় লাঠিখেলার প্রতিযোগিতা

📰 বিস্তারিত

বাংলা কার্তিক মাসে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত এই লাঠিখেলা কেন্দ্র করে পুরো মাঠে বসে গ্রামীণ মেলা। নাগরদোলা, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং বিভিন্ন পণ্যের পসরায় চারপাশ জমে ওঠে। লাঠিখেলা দেখতে মহম্মদপুর ছাড়াও শালিখা, শ্রীপুর, বোয়ালমারী ও মধুখালী উপজেলা থেকে ছুটে এসেছেন নানা বয়সের দর্শনার্থীরা। বিশেষ করে নারী দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘লাঠিখেলা গ্রামবাংলার অত্যন্ত প্রাচীন ও জনপ্রিয় ঐতিহ্য। লাঠি, হাডুডু, দাঁড়িয়াবান্ধা ও নৌকাবাইচের মতো খেলাগুলো নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী নানা উদ্যোগ নিয়েছে।’

ঢাকঢোল আর বাঁশির তালে বর্ণিল সাজে ও রংবেরঙের পোশাকে মাঠে নামে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা লাঠিয়াল দলগুলো। ঢাকঢোল আর বাঁশির সুরের তালে তালে লাঠিয়ালদের কসরত এবং একে অপরকে ঘায়েল করার অভিনব দৃশ্য মুগ্ধ করে দর্শকদের। খেলা দেখতে মাঠে উপস্থিত দর্শকদের করতালি ও উল্লাসে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ।

আয়োজক কমিটির সভাপতি ও ডুমুরশিয়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, নতুন দল তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়লেও পুরোনো লাঠিয়ালদের এই ঐতিহ্য ধরে রাখার তীব্র আগ্রহ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বহুদিনের লাঠিয়াল দলের প্রধান মানিক সরদার বলেছেন, পূর্বপুরুষদের দেখেই এই খেলায় আগ্রহ জন্মেছে। এখন সব জায়গায় এর আয়োজন হয় না, তবে কার্তিকের এই মেলায় এলে বুক জুড়িয়ে যায়।’

ঢাকা থেকে আসা কবি হাফিজ রহমান বলেন, ‘ষাটের দশক থেকে আমাদের এই ঐতিহ্য চলে আসছে। ক্রিকেটের ভিড়ে আজ তা কোণঠাসা। এই অমূল্য ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে স্থানীয়দের পাশাপাশি সরকারের আরও জোরালো ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।’

"লাঠিখেলা গ্রামবাংলার অত্যন্ত প্রাচীন ও জনপ্রিয়। লাঠি, হাডুডু, দাঁড়িয়াবান্ধা ও নৌকাবাইচের মতো আমাদের ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী নানা উদ্যোগ নিয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ডুমুরশিয়া ডি সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাগুরা জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, মো. আবুল হোসেন, মানিক সরদার, কবি হাফিজ রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৬তম লাঠিখেলা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖