📌 আখতার হুসেনের নাগরিক শোকসভা ও স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, তাঁর রচনা ও আদর্শ চিরকাল মানুষের মুক্তির পথে অনুপ্রেরণা জোগাবে। সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনটিতে খেলাঘর, উদীচী ও ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা অংশ নিয়েছিলেন
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক জগতে এক অনন্য ব্যক্তিত্বের স্মৃতিতে আজ শুক্রবার সেগুনবাগিচার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার দাদা ভাই সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আখতার হুসেনের নাগরিক শোকসভা ও স্মরণ অনুষ্ঠান। শিশুসাহিত্যিক, ছড়াকার, গীতিকবি, নাট্যকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতার হুসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে অনুষ্ঠানটি শুরু হয় এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আখতার হুসেনের রচনা ও আদর্শ চিরকাল মানুষের মুক্তি সংগ্রামে অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকবে বলে বলেছেন বক্তারা
- 📌 অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন খেলাঘর, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা
- 📌 স্মৃতিচারণায় বলা হয়, আখতার হুসেনের লেখায় শিশুদের মানবিক গুণাবলি বিকাশের প্রেরণা ছিল
- 📌 অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় আখতার হুসেনের লেখা গান ও দলীয় সংগীত
- 📌 গত ২৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণকারী আখতার হুসেনের স্মৃতিতে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন তাঁর স্বজন ও সংগঠনসমূহ
📰 বিস্তারিত
আখতার হুসেনের নাগরিক শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের চেয়ারপারসন কাজী মোজাম্মেল হোসেন। তিনি বলেন, আখতার হুসেন সবার কাছে ছিলেন ‘আখতার ভাই’। সহজ-সরল ও আন্তরিক ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন তিনি। তাঁর প্রতি আমাদের ভালোবাসা কখনো শেষ হবে না।
আলোচনা পর্বে শিখা সেনগুপ্তা আখতার হুসেনের জীবনী পাঠ করেন। উদীচীর একাংশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম বলেন, আখতার হুসেন ১৯৬৮ সালে উদীচীর গঠন পর্বে যুক্ত ছিলেন। তাঁর নাটক ও গানে প্রবল শক্তিমত্তা ছিল, যা অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করেছে।
কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা উল্লেখ করেন, আখতার হুসেনের লেখায় শিশু-কিশোরদের মানবিক গুণাবলি বিকাশের জন্য চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেন, শিশু-কিশোরদের সামনে তাঁর জীবন সম্পর্কে আলোচনা করা হলে নতুন প্রজন্ম সমৃদ্ধ হবে।
খেলাঘরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল আজিজ বলেন, আখতার হুসেনের সাংগঠনিক দক্ষতা ছিল অসাধারণ। তিনি খেলাঘর সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার নেপথ্যে সংগঠকদের অন্যতম ছিলেন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে খেলাঘর ও ছাত্র ইউনিয়নের দলীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। খেলাঘরের কর্মীরা গেয়েছেন ‘আমরা তো সৈনিক শান্তির সৈনিক’, ছাত্র ইউনিয়নের দলীয় সংগীত ‘আমরা তো ঐক্যের দৃঢ় বলে বলীয়ান’। সাংস্কৃতিক ইউনিয়নের শিল্পীরা পরিবেশন করেন ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে’ ও ‘তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম’।
"আখতার হুসেনের রচনা চিরকাল মানুষের মুক্তির পথযাত্রায় অনুপ্রেরণা জোগাবে। তিনি থাকবেন সংগ্রামে, আদর্শে, প্রগতির পথযাত্রায় চিরকালের সঙ্গী হয়ে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সেগুনবাগিচা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী মোজাম্মেল হোসেন, মাহমুদ সেলিম, প্রণয় সাহা, আবদুল আজিজ, শিখা সেনগুপ্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!