📌 মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার রায় ঘোষণা করেন
মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়ার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। সোমবার বেলা ১১টার দিকে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ২৫ আগস্ট রায় ঘোষণার কথা থাকলেও রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তা স্থগিত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাগুরায় শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট
- 📌 বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার রায় ঘোষণা করেন
- 📌 ঘটনাটি ঘটে গত বছরের ৫ মার্চ রাতে, যেখানে শিশু আছিয়া ধর্ষণের শিকার হন এবং পরে হত্যার চেষ্টা করা হয়
- 📌 ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার পর হাইকোর্টে নথি পাঠানো হয়, যা গত বছরের ২১ মে থেকে শুরু হয়
📰 বিস্তারিত
মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় গত বছরের ৫ মার্চ রাতে ধর্ষণের শিকার হন আট বছরের শিশু আছিয়া। রমজানের ছুটিতে সেখানে বেড়াতে গিয়েছিল সে। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যায় শিশুটি।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করে। ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। একই বছরের ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ, যা শেষ হয় ৭ মে। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়।
গত বছরের ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরে ১৭ মে ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। তারা হলেন নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ছোট ভাই ও তাদের মা জাহেদা বেগম।
"ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য মামলার নথি উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। গত বছরের ২১ মে এ মামলার নথি হাইকোর্টে প্রেরণ করা হয়। বিজি প্রেসে পেপারবুক তৈরির পর তা গত ৮ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরে মামলাটি শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাগুরা সদর উপজেলা, নিজনান্দুয়ালী
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: হিটু শেখ (৪৭), বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৭ (হিটু শেখের বয়স), ১ লাখ টাকা (জরিমানা), ২৯ জন (রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!