📌 মাগুরার আলোচিত শিশুধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন, আপিল ও জেল আপিলের ওপর হাইকোর্ট আগামী ৩১ আগস্ট রায় ঘোষণা করবেন। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মামলাটির শুনানি শেষে রায়ের জন্য এই তারিখ নির্ধারণ করেন
মাগুরার আলোচিত শিশুধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন, আপিল ও জেল আপিলের ওপর আগামী ৩১ আগস্ট রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার মামলাটির শুনানি শেষে এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাগুরা শিশুধর্ষণ-হত্যা মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন, আপিল ও জেল আপিলের ওপর হাইকোর্ট রায় দেবেন ৩১ আগস্ট
- 📌 বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মামলাটির শুনানি শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন
- 📌 রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন ও আসামিপক্ষে আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান শুনানিতে অংশ নেন
- 📌 ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছরের মার্চ মাসের শুরুতে মাগুরার সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের মধ্য দিয়ে
- 📌 ট্রাইব্যুনালের রায়ে হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
মাগুরার আলোচিত শিশুধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন, আপিল ও জেল আপিলের ওপর আগামী ৩১ আগস্ট রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার মামলাটির শুনানি শেষে এই তারিখ নির্ধারণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রায়ের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে গত ১০ জুন প্রধান বিচারপতি এই মামলার শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। গঠিত বেঞ্চটি গত ১৪ জুন থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
গত বছরের ১১ আগস্ট থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলাটির শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষ পেপারবুক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে শুনানি শুরু করলে ধারাবাহিকভাবে গত রোববার ও সোমবার শুনানি অব্যাহত থাকে। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন এবং আসামিপক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান শুনানিতে অংশ নেন। আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান জানান, অ্যাটর্নি জেনারেল উপস্থিত না থাকায় আদালত আগামী সোমবার রায় ঘোষণা করেন।
মাগুরার এই ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছরের মার্চ মাসের শুরুতে। শিশুটি তার বড় বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। ৬ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় মাগুরার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর সাত দিন পর ১৩ মার্চ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। ঘটনার পর শিশুটির মা মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলাউদ্দিন গত বছরের ১৩ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। একই বছরের ১৭ এপ্রিল মামলাটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। ২০ এপ্রিল অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হলে ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। গত বছরের ১৭ মে মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করেন। রায়ে হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।
"আজ রায় হয়নি। অ্যাটর্নি জেনারেল উপস্থিত ছিলেন না, যার কারণে আদালত আগামী সোমবার রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাগুরা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: হিটু শেখ, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ আগস্ট, ৬ মার্চ, ১৩ মার্চ, ২৫০ শয্যা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!