📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাধবপুরে জাতীয় চার নেতার মুরাল অপসারণ নিয়ে ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধা ও স্বজনরা, দায় অস্বীকার প্রশাসনের

মাধবপুরে জাতীয় চার নেতার মুরাল অপসারণ নিয়ে ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধা ও স্বজনরা, দায় অস্বীকার প্রশাসনের

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হবিগঞ্জের মাধবপুরে জাতীয় চার নেতার মুরাল অপসারণ নিয়ে ক্ষোভের ঝড় উঠেছে। মৃত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের ওপর দায় চাপালেও প্রশাসন অস্বীকার করেছে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও স্বজনরা দাবি জানিয়েছেন, অবিলম্বে মুরাল পুনঃস্থাপনের

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন জগদীশপুরের মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের মুরাল অপসারণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা ও তাদের স্বজনরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাধবপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতার মুরাল অপসারণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা
  • 📌 মৃত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের ওপর দায় চাপিয়েছেন সদ্য সাবেক ইউএনও জাহিদ বিন কাসেম
  • 📌 ইউএনও জাহিদ বিন কাসেম দাবি করেছেন, মুরাল অপসারণের বিষয়টি তিনি জানতেন না
  • 📌 সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সোহেল তাজ সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে সরকারের কাছে বিচার দাবি করেছেন
  • 📌 স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা মুরাল পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুরের মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতার মুরাল অপসারণের ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মুরাল অপসারণের দায় সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করা হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিকের ওপর চাপানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সদ্য সাবেক ইউএনও জাহিদ বিন কাসেম। তিনি দাবি করেন, মুরাল অপসারণের বিষয়টি তিনি জানতেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও জাহিদ বিন কাসেম বলেন, সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করা গোলাম মোস্তফা রফিকের দায়িত্বকালে মুরালটি অপসারণ করা হয়েছিল। তবে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ মুরাল অপসারণের ঘটনা জানার পরেও তিনি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে জানা গেছে।

একইভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কোনো রেজুলেশন, সভা বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কি না—এ প্রশ্নেরও কোনো ইতিবাচক উত্তর পাওয়া যায়নি। জাতীয় চার নেতার অন্যতম তাজউদ্দীন আহমেদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সোহেল তাজ সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে সরকারের কাছে বিচার দাবি করেছেন। এর পরই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সূত্রপাত ঘটে।

মাধবপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও ভবানীপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন আহমেদ বলেন, জাতীয় চার নেতার মুরাল অপসারণ একটি প্রতিহিংসামূলক কাজ। তিনি বলেন, আমরা শুরু থেকেই এর প্রতিবাদ করে আসছি এবং চাই মুরালগুলো পুনঃস্থাপন করা হোক।

মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক ওয়ালিদ মিয়া বলেন, এ ধরনের কাজ সম্পূর্ণ বেআইনি এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের পরিপন্থী। তিনি আরও বলেন, এর দায় উপজেলা প্রশাসনকে নিতে হবে। তারা এ কাজটি করেছে কি না, আর না করলে অনুমতি ছাড়া মুরাল অপসারণের ঘটনায় তারা কী ব্যবস্থা নিয়েছে—সেটিও প্রশ্নবিদ্ধ।

"মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে আমাদের ধারণ করতে হবে, সংরক্ষণ করতে হবে। কেউ যদি মনগড়াভাবে এমন কাজ করে, সেটি জাতি সহ্য করবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাধবপুর, হবিগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহেল তাজ, জাহিদ বিন কাসেম, গোলাম মোস্তফা রফিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ আগস্ট, ২৯ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖