📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন মার্কিন গবেষকরা, কানাডায় মিলছে নতুন সুযোগ

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন মার্কিন গবেষকরা, কানাডায় মিলছে নতুন সুযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের চাপে দেশ ছাড়ছেন ৬৪ জন খ্যাতনামা গবেষক। কানাডা সরকার তাঁদের জন্য ৫০ কোটি কানাডিয়ান ডলারের বিশেষ তহবিল গঠন করেছে। হার্ভার্ড, এমআইটি ও কর্নেলের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে আসা এই গবেষকরা চিকিৎসা বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জলবায়ু বিজ্ঞানে গবেষণা চালাবেন

যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের রাজনৈতিক চাপ ও গবেষণা স্বাধীনতা খর্ব হওয়ার কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন ৬৪ জন বিশ্বখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক। তাঁদের অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড, এমআইটি ও কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে আগমন করছেন। কানাডা সরকার তাঁদের জন্য আগামী আট বছরে ৫০ কোটি কানাডিয়ান ডলারের (প্রায় ৩৫ কোটি মার্কিন ডলার) বেশি অর্থ সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত ৬৪ জন গবেষককে নিয়োগ দিচ্ছে কানাডা
  • 📌 তাঁদের মধ্যে ৪৮ জনই হার্ভার্ড, এমআইটি ও কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক
  • 📌 গবেষণার ক্ষেত্র: চিকিৎসা বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু বিজ্ঞান ও প্রকৌশল
  • 📌 কানাডা সরকারের বিশেষ তহবিল: ১৭০ কোটি কানাডিয়ান ডলার (প্রায় ১২০ কোটি মার্কিন ডলার)
  • 📌 ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়া নিয়োগ দিচ্ছে ৯ জন ও টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় ৬ জন গবেষককে

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দেশটির অভিজাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি নির্দেশনা না মানলে কেন্দ্রীয় তহবিল ও গবেষণা অনুদান বন্ধের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ফলে মার্কিন একাডেমিক অঙ্গনে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে কানাডা সরকার তাঁদের দেশে গবেষণা চালানোর জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

গত বৃহস্পতিবার কানাডার শিল্পমন্ত্রী মেলানি জোলি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘যখন কোনো দেশ গবেষণা বাজেট কমিয়ে আনছে এবং শিক্ষার স্বাধীনতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, তখন আমরা বিজ্ঞানের প্রতি আমাদের আস্থা দ্বিগুণ করছি।’ তাঁর মতে, মার্কিন প্রশাসনের সিদ্ধান্ত থেকে কানাডা নিজস্ব পথে চলতে চায়।

কানাডার ‘গ্লোবাল ইম্প্যাক্ট+ রিসার্চ ট্যালেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের অধীনে এই গবেষকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়া ও টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যেই তাঁদের অনুষদে নতুন গবেষকদের অন্তর্ভুক্ত করেছে। ইউবিসির ভাইস চ্যান্সেলর ড. বেনোয়া-আঁতোয়ান বেকন বলেন, ‘এই নয়জন ব্যতিক্রমী গবেষক মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।’

‘মার্কিন প্রশাসন তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, আর আমরা নিচ্ছি আমাদের সিদ্ধান্ত। এই অসাধারণ অধ্যাপক ও বিজ্ঞানীরা যে কানাডায় আসছেন, তাতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’ — মেলানি জোলি, শিল্পমন্ত্রী, কানাডা সরকার

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মেলানি জোলি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪ জন গবেষক, ৫০ কোটি কানাডিয়ান ডলার, ৪৮ জন হার্ভার্ড/এমআইটি/কর্নেল থেকে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖